০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৫৬

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সৈকতের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন এত বিতর্ক?

শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত  © সংগৃহীত

ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের একটি সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। ক্যারিবীয় ব্যাটার শেরফানে রাদারফোর্ডের আউটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ। এ ঘটনায় কাঠগড়ায় উঠেছে সৈকতের সিদ্ধান্তও।

ঘটনার সূত্রপাত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ৩০তম ওভারে। ভারতের দেওয়া ৩৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ক্যারিবীয়দের হয়ে ব্যাট করছিলেন রাদারফোর্ড। ভারতের বোলার নামান ধীরের করা বল খেলতে গেলে সেটি উইকেটের পেছনে থাকা লোকেশ রাহুলের গ্লাভসে জমা হয়। সঙ্গে সঙ্গে ক্যাচের আবেদন করে ভারত। মাঠের আম্পায়ারও রাদারফোর্ডকে আউট ঘোষণা করেন।

তবে সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি রাদারফোর্ড। এই ব্যাটার রিভিউ নিলে টিভি আম্পায়ারের দায়িত্বে থাকা সৈকতের সামনে আসে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ। রিপ্লে'তে স্নিকো মিটারে স্পাইক দেখা যাওয়ায় মাঠের আম্পায়ারের দেওয়া আউটের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন তিনি। এতে সাজঘরে ফিরতে হয় রাদারফোর্ডকে।

এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। রিপ্লের একটি দৃশ্যে দেখা যায়, স্নিকো মিটারে স্পাইক ওঠার সময় রাদারফোর্ডের ব্যাট তার প্যাডেও স্পর্শ করেছিল। ফলে ওই স্পাইকটি বল ব্যাটে লাগার কারণে তৈরি হয়েছিল, নাকি ব্যাট-প্যাডের সংস্পর্শ থেকেই শব্দের সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিয়েই মূলত প্রশ্ন ওঠে।

এই সংশয় থেকেই সৈকতের সিদ্ধান্তের যথার্থতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট রাদারফোর্ড মাঠের আম্পায়ারের সঙ্গেও নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলায়নি।

যদিও ভারত ম্যাচটি হেরে যায়, শেষ পর্যন্ত ১০ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের ফলাফলের পাশাপাশি আলোচনায় থেকে যায় রাদারফোর্ডের আউট এবং সেই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের আম্পায়ার সৈকতের ভূমিকা।