বহু প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তনে ব্যর্থ বাবর
পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তনটা খুব বেশি সময় স্থায়ী হলো না বাবর আজমের। অ্যাবোটাবাদে খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের (কেআরএল) বিপক্ষে অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ওজিডিসিএল) হয়ে খেলতে নেমে মাত্র ১২ রান করে আউট হন সাবেক এই অধিনায়ক।
৭ বছর পর ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেছেন বাবর। প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড-১-এর তৃতীয় রাউন্ডে তার মাঠে নামা ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। দীর্ঘদিন পর পাকিস্তানি এই তারকাকে ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখতে সমর্থকেরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। ২০১৯ সালের পর এই প্রথম ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলতে নেমেছিলেন বাবর।
অ্যাবোটাবাদে বাবরকে ঘিরে সেই প্রত্যাশার স্পষ্ট প্রমাণও দেখা গেছে। তাকে একনজর দেখার জন্য মাঠে ভিড় করেন সমর্থকেরা। এমনকি কয়েকজন ভক্ত মাঠে ঢুকে বাবরের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন, যা কিনা বাবরের প্রত্যাবর্তন ঘিরে ব্যাপক আগ্রহেরই বহিঃপ্রকাশ।
ম্যাচের প্রথম দুই দিন অপেক্ষা করার পর তৃতীয় দিনে অবশেষে বাবরকে ব্যাট করতে দেখার সুযোগ পান সমর্থকেরা। প্রথম ইনিংসে কেআরএল ৩৯৮ রান করার পর ব্যাটিংয়ে নেমেছিল ওজিডিসিএল।
তবে বাবরের ইনিংস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আরশাদ ইকবালের করা একটি বাউন্সারে ব্যাট চালান তিনি, বলটি শেষ পর্যন্ত ফিল্ডার আবদুল ফাসিহের হাতে জমা পড়ে। ২০ বলে ১২ রান করেন বাবর, এর মধ্যে দুটি বাউন্ডারিও ছিল। স্ট্রাইক রেট মাত্র ৬০।
অবশ্য বাবরের বিদায় ওজিডিসিএলের বিপদ আরও বাড়িয়ে দেয়। তার আউটের পর দলের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৪৬ রান। ফলে ম্যাচে কেআরএলের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ় হয়। চারটি উইকেটের মধ্যে তিনটিই নেন আরশাদ ইকবাল।
অধিনায়কত্বের দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের অ্যাওয়ে সিরিজ ১-১ ড্র করে পাকিস্তান, যেখানে যৌথভাবে 'প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ' হয়েছিলেন। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরবর্তী টেস্ট সিরিজে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন বাবর। চোটের কারণে প্রথম ম্যাচ মিস করার পর বাকি সিরিজে একটি মাত্র হাফ-সেঞ্চুরিসহ ২৪ দশমিক ২৫ গড়ে মাত্র ৯৭ রান করেছিলেন।