শরিফুলের ইতিহাসে ধুঁকছে অস্ট্রেলিয়া
দুর্দান্ত এক স্পেলে পুরো ম্যাচের মোড়ই ঘুরিয়ে দিলেন শরীফুল ইসলাম। বাংলাদেশের হাত থেকে ফসকে যেতে থাকা ম্যাচে এক ওভারেই জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে দলকে দারুণভাবে ফিরিয়ে আনলেন এই পেসার।
প্রথমে ওয়েবস্টারকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন শরীফুল। এরপর তার বাউন্সারে বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলে দেন প্যাট কামিন্সও। এর আগে, মিরাজের ঘূর্ণিতে টিকতে পারেননি অ্যালেক্স ক্যারিও। ফলে মাত্র ৬ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেটের দেখা পেলেন শরিফুল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় পেসার হিসেবে ফাইফার পেলেন তিনি। এর আগে, আগের টেস্টে এই কীর্তি গড়েছিলেন হাসান মাহমুদ।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩২ ওভারে অস্ট্রেলিয়া ১৪৭/৭। সবমিলিয়ে স্বাগতিকদের লিড এখন ৮৩ রান।
এর আগে, ম্যাকাইতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের বোলিং তোপে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে শরিফুল ইসলাম ১৪, মেহেদি হাসান মিরাজ ১১, তাইজুল ইসলাম অপরাজিত ১১, হাসান মাহমুদ ১০, মুমিনুল হক ৯, মুশফিকুর রহিম ৫, তাসকিন আহমেদ ১ রান করেন।
অন্যদিকে সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
অস্ট্রেলিয়ার স্টার্ক ১২ রানে ৬ এবং অধিনায়ক কামিন্স ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।
জবাবে ট্রাভিস হেড ও ম্যাট রেনশোর ব্যাটে ওয়ানডে মেজাজেই শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। তবে দলীয় ২২ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তাসকিন আহমেদের বলে তামিমের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ১০ বলে ৮ রান করে ফেরেন রেনশো।
পরে সপ্তম ওভারে প্রথমবার বল হাতে নিয়েই জোড়া আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। নিজের প্রথম ওভারেই ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে বোল্ড করেন। হেড ২৭ বলে ২২ রান করলেও লাবুশেনকে মাত্র ৪ রানেই ফিরতে হয়।
দলীয় ৪১ রানে ৩ উইকেট খোয়ানোর পর দেখেশুনে দ্বিতীয় সেশন পার করেন স্মিথ-গ্রিন। চা বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৫০ রান।