‘ব্যাটে লেগেছিল, টেকনোলজি বাঁচিয়ে দিয়েছে’, স্বীকারোক্তি স্মিথের
এবাদত হোসেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ভেতরে ঢুকে পড়লে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন স্টিভ স্মিথ। কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় তৃতীয় স্লিপে থাকা তানজিদ হাসান তামিমের হাতে। বল কিছুটা নিচু হলেও ক্যাচটি নেওয়ার মতো ছিল, কিন্তু সেটি লুফে নিতে পারেননি তানজিদ।
এর কিছুক্ষণ পর আবারও বেঁচে যান স্মিথ। ডানহাতি এই পেসারের লেংথ ডেলিভারি শরীর থেকে দূরে ঠেকাতে গিয়ে ব্যর্থ হন তিনি। বল চলে যায় লিটন দাসের গ্লাভসে। বাংলাদেশ আবেদন করলেও আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা সাড়া দেননি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত রিভিউ নিলে আল্ট্রা এজে দেখা যায়, বল ব্যাটে স্পর্শই করেনি। ফলে পরপর দুইবার জীবন পান স্মিথ।
তবে প্রথম দিনের খেলা শেষে অভিজ্ঞ এই ব্যাটার জানালেন, আউটই ছিলেন তিনি। প্রযুক্তির ভুলে বেঁচে গেছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে স্মিথ বলেন, ‘আমি কী ভাগ্যবান ছিলাম? হ্যাঁ। সাধারণত টেকনোলজি বেশিরভাগ সময় নির্ভুলই থাকে। হতে পারে ব্যাটে বল লাগেনি, আমি নিশ্চিত নই। তবে আমার মনে হয়েছিল, কিছু একটা স্পর্শ করেছে। আম্পায়ার আউট দিলে আমি মাঠ ছেড়েই চলে যেতাম। হ্যাঁ, টেকনোলজিই আজ আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।’
এদিকে বাংলাদেশের পেসারদের দাপটে ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৬ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। হাসান মাহমুদ একাই নেন ৬ উইকেট, এবাদত ও তাসকিন দুটি করে উইকেট নেন। এতে দ্বিতীয়বারের মতো এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেন বাংলাদেশের পেসাররা। স্বাভাবিকভাবেই দিনের শেষে হাসান-তাসকিনদের প্রশংসা করেছেন স্টিভ স্মিথও।
স্মিথ বলেন, ‘আমার মনে হয় ওদের সব বোলারই দারুণ বল করেছে। আগেই বলেছি, কন্ডিশন বেশ কঠিন ছিল এবং বল সুইং করছিল। ওরা সঠিক জায়গায় বল করেছে এবং আমাদের ডিফেন্সকে ভালোই পরীক্ষায় ফেলেছে। সব মিলিয়ে আজ ওদের বোলিং চমৎকার ছিল।’