ফের তানভীরের আঘাত, ঘোর বিপাকে অস্ট্রেলিয়া
ইনিংসের শুরুতেই বল হাতে দাপট দেখিয়ে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও ধারাবাহিক আক্রমণে শীর্ষ চার ব্যাটার দ্রুতই বিদায় নেন। মাঝে জস ইংলিস ও ক্যামেরন গ্রিন মিলে একটি সম্ভাবনাময় জুটিতে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন।
ঠিক সেই সময়ই আক্রমণে এসে ব্রেকথ্রু এনে দেন তানভীর আহমেদ। সেট হয়ে ওঠা ইংলিসকে আউট করে ম্যাচের গতি আবারও বাংলাদেশের দিকে ফিরিয়ে আনেন।
এরপর আবারও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি, আগের ম্যাচে ফিফটি করা ক্যামেরন গ্রিনকেও ফিরিয়ে দেন তানভীর। তার এই জোড়া আঘাতে অজিদের বিপদ আরও বাড়ল।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৩ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৯৬ রান। ল্যাবুশ্যানের সঙ্গে ক্রিজে আছেন জেভিয়ার।
এর আগে, টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই একের পর এক ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের শুরুতেই প্রথম আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। আগের ম্যাচের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবারও ম্যাথু শর্টকে শূন্য রানে বোল্ড করেন তিনি। মাত্র চতুর্থ বলেই ভেঙে যায় অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি।
এরপরই আক্রমণে আসেন মুস্তাফিজুর রহমান। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই কুপার কনোলিকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। ফলে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
চাপ আরও বাড়িয়ে দেন মুস্তাফিজ নিজেই। পরের ওভারের প্রথম বলেই আউট হন ম্যাট রেনশ। শুরুতে আম্পায়ার আউট না দিলেও বাংলাদেশ রিভিউ নিলে সিদ্ধান্ত বদলে যায় এবং রেনশ শূন্য রানে ফিরে যান।
সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি আসে কেরির বিদায়ে সপ্তম ওভারে। মুস্তাফিজুর রহমানের করা একটি বল অফ স্টাম্পের বাইরে শর্ট ও ওয়াইড লেংথে পড়ে বাড়তি বাউন্স নেয়। কেরি সোজা ব্যাট চালিয়ে গ্যাপ খুঁজতে গিয়ে পয়েন্টে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে দেন। ফলে বাংলাদেশ শিবিরে উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে এবং অস্ট্রেলিয়া পড়ে আরও গভীর সংকটে।