ফিফটি ছুঁয়ে প্রত্যাবর্তন রাঙালেন মোসাদ্দেক, আউট মিরাজ
প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে দারুণ আলো ছড়ালেন মোসাদ্দেক হোসেন। ৪৯ বল মোকাবিলায় তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ অর্ধশতক। লিয়াম স্কটের বলে সিঙ্গেল নিয়ে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন এই ব্যাটার। আগের ৩৫টি ওয়ানডে ইনিংসে তার ফিফটি ছিল মাত্র তিনটি, আর সর্বোচ্চ স্কোর ছিল অপরাজিত ৫২। চার বছর পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের প্রথম ম্যাচেই আবার অর্ধশতকের দেখা পেলেন তিনি।
অন্যপ্রান্তে অবশ্য বেশি সময় টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। পরের বলেই শাফল করে লেগ সাইডে খেলার চেষ্টায় এলবিডব্লিউ হন তিনি। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের পর রিভিউ নিলেও ফল বদলায়নি। ১২ বল খেলে মাত্র ৩ রান করে ফিরতে হয় তাকে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২১৯ রান। ক্রিজে মোসাদ্দেকের সঙ্গে আছেন তানভির ইসলাম।
এর আগে, ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। নাথান এলিসের করা ওই ওভারের দ্বিতীয় বলটি ছিল অফ স্টাম্পের কাছাকাছি ফুল লেংথ ডেলিভারি, যা পিচে পড়ার পর হঠাৎ বাইরে সরে যায়। ড্রাইভ করতে গিয়ে সাইফের ব্যাটের কানায় লেগে বল উঠে যায় স্লিপে। সেখানে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ এক ক্যাচ নেন লাবুশেন।
ইনিংসের শুরুতেই দ্রুত উইকেট হারালেও তানজিদ তামিমকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেছিলেন শান্ত। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ৯০’র বেশি রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তানজিদ ফিফটি তুলে নিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি, ৫৪ রান করেই ফেরেন।
তানজিদের বিদায়ের পর লিটন দাসকে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন শান্ত। এর মধ্যেই নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তবে লিটন বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ম্যাট রেনশর বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে বড় শট খেলতে গিয়ে ব্যর্থ হন তিনি। ফলো থ্রুতে সহজ ক্যাচ নেন রেনশ, ৯ বলে ৭ রান করে আউট হন লিটন।
লিটনের বিদায়ের পর কিছুটা চাপের মধ্যেই খেলছিলেন নাজমুল। শেষ পর্যন্ত তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন, ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে ৬৭ রান এসেছিল।