২৭ মে ২০২৬, ১০:৫৬

রেকর্ড গড়ে আবারও আইপিএলের ফাইনালে বেঙ্গালুরু

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু  © সংগৃহীত

রজত পাতিধরের ব্যাটিং তাণ্ডব আর বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) কাছে বড় ব্যবধানে হারল গুজরাট টাইটান্স। ৯২ রানের এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএলের ফাইনালে জায়গা করে নিলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। 

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় বেঙ্গালুরু। জবাবে ১৬২ রানে থেমে যায় গুজরাট। তবে গুজরাটের ফাইনালে যাওয়ার আরেকটি সুযোগ থাকছে। বুধবার (২৭ মে) এলিমিনেটরে রাজস্থান রয়্যালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মধ্য জয়ী দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে তারা।

ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে ইনজুরির কারণে নিয়মিত ওপেনার ফিল সল্টকে না পেলেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে আরসিবি। মাত্র ৭ বলে ১৯ রান করেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার, আর বিরাট কোহলি ২৫ বলে ৪৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। মাঝের ওভারগুলোতে জেসন হোল্ডার ও রশিদ খান কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফেরালেও পরে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের দখলে নেয় আরসিবি।

সেখান থেকেই ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন রজত পাতিধর। মাত্র ৩৩ বলে ৯৩ রানের বিধ্বংসী অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৯ ছক্কা ও ৪ চার। শেষ ৬ ওভারে তার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ১১৪ রান তোলে বেঙ্গালুরু। এ ছাড়া ক্রুনাল পান্ডিয়া যোগ করেন ৪৩ রান।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় গুজরাট। জ্যাকব ডাফির প্রথম ওভারেই হিট-উইকেট হয়ে ফেরেন সাই সুদর্শন। এরপর শুভমান গিলকেও বোল্ড করে চাপ বাড়ান ভুবনেশ্বর কুমার।

পরে দ্রুত রান তোলার ইঙ্গিত দেওয়া জস বাটলারকে ফেরান জশ হ্যাজলউড। এরপর রসিক সালাম দার পরপর দুই উইকেট তুলে নিলে পাওয়ার-প্লের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধসে পড়ে টাইটান্স।

শেষদিকে রাহুল তেওয়াতিয়া ৫ ছক্কায় ৬৮ রানের লড়াকু ইনিংস খেললেও তা শুধুই ব্যবধান কমাতে সাহায্য করেছে।

বল হাতে আরসিবির হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন জ্যাকব ডাফি। এছাড়া দুটি করে উইকেট পান ভুবনেশ্বর কুমার, রসিক সালাম দার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া।