১১ মে ২০২৬, ১৪:১৪

মিরপুরে বৃষ্টির দাপট, বন্ধ খেলা

বৃষ্টি ভেজা মিরপুর স্টেডিয়াম   © টিডিসি ফটো

ঢাকা টেস্টে আবারও হানা দিয়েছে বৃষ্টি। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন শেষ হতেই কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। ম্যাচ অফিসিয়ালরা মাঠ পর্যবেক্ষণ শেষে ঢেকে দেন উইকেট। বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ আছে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষে নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় সেশন শুরুর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

যদিও চতুর্থ দিনের শুরুটা হয়েছিল শঙ্কা জাগানিয়া। দ্রুত ফিরে ‍যান দুই ওপেনার। ২৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে, বাকিটা সময় আর কোনো বিপদ আসতে দেননি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। দেখেশুনে খেলে পাকিস্তানি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছেন দুজন। ৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি নিয়ে মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

চতুর্থ দিনে প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১ ওভারে ২ উইকেটে ৯৩ রান। শান্ত অপরাজিত ৩৪ রানে। মুমিনুল ৩৭ রান নিয়ে টিকে আছেন। 

আগের দিন বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে খেলায় বেশ ব্যাঘাত ঘটেছিল। এজন্য সোমবার (১১ মে) ১৫ মিনিট আগে শুরু হয় ম্যাচ। তবে, মিরপুর শের-ই-বাংলায় দিনের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৫ রানে জয়ের বিদায়ের পর ৮ রান তুলতেই আরেক ওপেনার সাদমানকেও হারায় স্বাগতিকেরা।

প্রথম ইনিংসে ৮ রান করা জয় দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হন। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে লেগ বিফোরের শিকার হয়ে ৫ রান করে ফেরেন তিনি।

এরপর চতুর্থ দিনে প্রথমবার বোলিংয়ে এসে দ্রুতই সাফল্য পান হাসান আলী। তার করা ওভারের চতুর্থ বলে সামনে এগিয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন সাদমান ইসলাম। বল ব্যাটের কানায় লেগে গালিতে দাঁড়িয়ে থাকা সৌদ শাকিলের হাতে জমা পড়ে। ২২ বলে ১০ রান করেন এই ওপেনার।

তবে শুরুতেই ধাক্কা খেলেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। সেই চাপ সামলে দলের লিড এক শ' ছাড়িয়ে দেন শান্ত ও মুমিনুল। প্রথম ইনিংসে ১৭০ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়া এই দুই ব্যাটার দ্বিতীয় ইনিংসেও দারুণ বোঝাপড়া দেখাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন থেকে তারা যোগ করেছেন ৭০ রান।

এরও আগে, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৪১৩ রানের জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশ তৃতীয় দিন শেষ করেছিল বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে।