তাসকিন-মিরাজের জাদুতে রঙিন সেশন বাংলাদেশের
ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা পাকিস্তান প্রথম সেশনেই আরও ৪ উইকেট হারায়। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫১ রান। ফলে এখনও ১৬২ রানের লিড ধরে রেখেছে টাইগাররা।
রবিবার (১০ মে) তৃতীয় দিনের শুরুতেও আগের দিনের দাপট জিইয়ে রেখেছিল সফরকারীরা। এতে সেঞ্চুরির জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আজান আওয়াইসের। ৮৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা এই বাঁহাতি ব্যাটার পঞ্চম ওভারেই পৌঁছে যান তিন অঙ্কের মাইলফলকে। নাহিদ রানার করা ৫১তম ওভারের পঞ্চম বলে এক রান নিয়ে শতক পূর্ণ করেন তিনি। ১৫৩ বলে সাজানো এই দারুণ ইনিংসে ছিল ১৪টি চারের মার।
তবে প্রথম সেশনের প্রথম ঘণ্টার শেষদিকে পাকিস্তান শিবিরে আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। এই পেসারের শিকার বনে ১৬৫ বলে ১০৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন আওয়াইস।
এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদও। মাত্র ৯ রান করে তাসকিনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন সৌদ শাকিলকে। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন এই ব্যাটার।
এরপরে মিরাজের হাত ধরে উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া আবদুল্লাহ ফজল থেকেও ‘মুক্তি’ পায় স্বাগতিকরা। মিরাজের বল মিড অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ত্রিশ গজের ভেতরে তাইজুলের হাতে ক্যাচ দেন ফজল। অভিষেকে ফিফটি করা এই ব্যাটসম্যান ফেরেন ১২০ বলে ৬০ রান করে।
এরপর পাকিস্তানের ইনিংস সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘা। একবার তাসকিন আহমেদের বলে আউট হলেও নো বলের কারণে জীবন পান সালমান। এরপর আর কোনো উইকেট না হারিয়ে লাঞ্চ পর্যন্ত খেলেছে পাকিস্তান। প্রথম সেশন শেষে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫১ রান। সালমান আলী আঘা ৩৮ বলে ১২ এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান ১৯ বলে ৮ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন।
বাংলাদেশের হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়েছেন ৩ উইকেট, আর তাসকিন আহমেদের শিকার ২টি।