১০ মে ২০২৬, ১১:৫১

‘নো’ বলে উইকেট নষ্ট তাসকিনের

তাসকিন আহমেদ  © সংগৃহীত

সালমান আলি আগার জন্য যেন ভাগ্যদেবীই নিয়তি ঠিক করে রেখেছিলেন। তাসকিনের দারুণ এক ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন তিনি। ক্যাচটি তালুবন্দি হতেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পাওয়ার আনন্দে উচ্ছ্বাসে ভাসেন তাসকিন ও তার সতীর্থরা।

তবে সেই উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কয়েক সেকেন্ড পরই টিভি রিপ্লেতে ধরা পড়ে, ক্রিজ ছাড়িয়ে গেছে তাসকিনের পা। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ‘নো বল’। ফলে নিশ্চিত আউট থেকেও জীবন ফিরে পান সালমান। আর তখনও ১৩ বল মোকাবিলায় রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬৬ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২৩৭ রান। সালমানের সঙ্গে দ্য গ্রিন ম্যানদের টেনে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন রিজওয়ান।

এর আগে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে চালকের আসনে বসেছিল পাকিস্তান। তৃতীয় দিনের শুরুতেও সেই দাপট জিইয়ে রেখেছিল সফরকারীরা। এতে সেঞ্চুরির জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আজান আওয়াইসের। ৮৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা এই বাঁহাতি ব্যাটার পঞ্চম ওভারেই পৌঁছে যান তিন অঙ্কের মাইলফলকে। নাহিদ রানার করা ৫১তম ওভারের পঞ্চম বলে এক রান নিয়ে শতক পূর্ণ করেন তিনি। ১৫৩ বলে সাজানো এই দারুণ ইনিংসে ছিল ১৪টি চারের মার। তবে প্রথম সেশনের প্রথম ঘণ্টার শেষদিকে পাকিস্তান শিবিরে আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। এই পেসারের শিকার বনে ১৬৫ বলে ১০৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন আওয়াইস।

এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদও। মাত্র ৯ রান করে তাসকিনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন সৌদ শাকিলকে। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন এই ব্যাটার।

এরপরে মিরাজের হাত ধরে উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া আবদুল্লাহ ফজল থেকেও ‘মুক্তি’ পায় স্বাগতিকরা। মিরাজের বল মিড অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ত্রিশ গজের ভেতরে তাইজুলের হাতে ক্যাচ দেন ফজল। অভিষেকে ফিফটি করা এই ব্যাটসম্যান ফেরেন ১২০ বলে ৬০ রান করে।