ইতিহাস গড়ার মিশনে বৃষ্টি বাধায় অল্পতেই থামল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দেশে বা বিদেশে-দুই সংস্করণের কোনো সিরিজই এখনও জেতা হয়নি বাংলাদেশের। তবে এবার সেই অপেক্ষা ঘোচানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। চলমান সফরে ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়ের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও দারুণভাবে শুরু করেছে টাইগাররা। শেষ ম্যাচে জিতলেই গড়া হবে নতুন ইতিহাস।
কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণের ম্যাচেই দেখা গেল ব্যাটিং বিপর্যয়। বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১৫ ওভারও টিকতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৪ দশমিক ২ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিক দল।
ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংস শুরু করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিম কিছুটা ধীর গতির হলেও সাইফ হাসান শুরু করেছিল আগ্রাসী মেজাজে। তবে ইনিংস লম্বা করতে পারলেন না তিনি। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ফিরলেন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে। জেডেন লিনক্সের বলে ক্যাচ দেন টিম রবিনসনের হাতে। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ১৬ রান।
পরের ওভারে ফেরত যান আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। নাথান স্মিথের বলে ব্যাটে-বলে সংযোগ ঘটাতে পারেননি তিনি। বল গিয়ে উড়িয়ে দেয় স্টাম্পের বেল। ১০ বলে ৬ রান করে ফেরেন তিনি। আগের ম্যাচে দারুণ খেলা পারভেজ হোসেন ইমন এদিন ফিরেছেন প্রথম বলেই। স্মিথের বলে তিনি ক্যাচ দেন ইশ সোধিকে।
বৃষ্টি শেষে খেলা শুরু হলে দ্রুতই ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। ১৭ বলে ২৬ করে জস ক্লার্কসনের ডেলিভারিতে বেভন জ্যাকবসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন দলপতি। এরপর শুরু হয় আসা-যাওয়ার পুরোনো মিছিলে। যে মিছিল থেকে আর বের হতে পারেনি স্বাগতিকরা।
শেষের ৬ ব্যাটারের কেউই পারেননি দুই অঙ্কের রান করতে। সুযোগ পাওয়া সাইফউদ্দিন ফিরেছেন রানের খাতা খোলার আগেই। শেষ ৬ ব্যাটার মিলে যোগ করেন মোটে ১৭ রান।
একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে চেষ্টা করেছিলেন তাওহিদ হৃদয়। ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস থামে ক্লার্কসনের শিকার হয়ে। এটিই ইনিংসে বাংলাদেশের দলীয় সর্বোচ্চ।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নন। দটি করে উইকেট পান নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ১৪.২ ওভারে ১০২/১০ (সাইফ ১৬, তামিম ৬, লিটন ২৬, ইমন ০, হৃদয় ৩, শামীম ৩, মেহেদী ৭* সাইফউদ্দিন ০, রিশাদ ৫, শরিফুল ২, রিপন ০; ফক্সক্রফট ২-০-১৩-০, স্মিথ ২-০-১৪-২, সিয়ার্স ২.২-০-১২-২, লেনক্স ৩-০-২৮-১, সোধি ৩-০-২২-১, ক্লার্কসন ২-০-৯-৩)