২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:২২

চট্টগ্রামের ‘সেরা উইকেট’ নিয়েও অনিশ্চয়তা, তবু আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

বাংলাদেশ দলের অনুশীলন   © বিসিবি

হোম অব ক্রিকেটে সিরিজের প্রথম দুটি ওয়ানডেতে ধীরগতির এবং কিছুটা অসমান বাউন্সের উইকেট ছিল। এবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দল দুটি। ম্যাচের আগে উইকেট দেখতে ভালো মনে হলেও, এর আচরণ কেমন হবে; তা নিয়ে নিশ্চিত নন বাংলাদেশের বোলিং কোচ শন টেইট। তার মতে, এ নিয়ে আগে থেকে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা কঠিন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে টেইট বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটা একটা ভালো উইকেট মনে হচ্ছে। কিন্তু এটা ঠিকভাবে বোঝা কঠিন, কেমন আচরণ করবে। সাধারণভাবে যদি চট্টগ্রামের দিকে তাকান, এটা বেশ ভালো ব্যাটিং উইকেট এবং মাঝে মাঝে বল একটু নিচু হয়ে আসতে পারে, তবে আমি উইকেট নিয়ে খুব বেশি কিছু বিশ্লেষণ করতে চাই না। আমি যেটা জানি, সেটা হলো আমরা একটা ভালো জয় নিয়ে এখানে আসছি এবং শেষ পর্যন্ত এটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং যেটা সামনে আছে সেটার সঙ্গেই মানিয়ে নিতে হবে।’

এই ম্যাচের উইকেটকে গেল এক বছরের সেরা উইকেট মানছেন শন। তার ভাষ্যমতে, ‘এই উইকেটটা আমার এখানে ১২ মাসে দেখা চট্টগ্রামের মধ্যে সবচেয়ে ভালো উইকেটের মতো লাগছে। দেখা যাক, কালকে (২৩ এপ্রিল) কীভাবে আচরণ করে। বাংলাদেশে আমি একটা জিনিস দেখেছি, এখানে উইকেট পড়া সাধারণভাবে কঠিন, সত্যি বলতে। বিশেষ করে মিরপুরে; কারণ, আমরা দেখেছি প্রথম ম্যাচ আর দ্বিতীয় ম্যাচ একটু আলাদা ছিল। আর হয়তো এটাই বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলার মজা।’

যদিও বাংলাদেশের পেসাররা এখন যেকোনো কন্ডিশনে বোলিং করতে এবং মানিয়ে নিতে পারে বলেও আত্মবিশ্বাসী শন টেইট। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি খুব আত্মবিশ্বাসী, এটা করতে পারবে তারা। আমি জানি, মানিয়ে নিতে কতটা আত্মবিশ্বাসী তারা। আমরা দেখেছি, গত দুই ম্যাচে তারা বেশ ভালো বোলিং করেছে এবং উইকেটগুলো একটু আলাদা ছিল। দুটি ভিন্ন কন্ডিশনে সত্যিই ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে তারা। তাই আগামী ম্যাচেও তারা এটা করতে পারবে না, এমন কোনো কারণ নেই। কিন্তু এটা তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট; আপনি যেখানেই যান, অস্ট্রেলিয়া হোক বা জিম্বাবুয়ে, একটু আলাদা হবেই। আর সেটাই এর সৌন্দর্য। তরুণ ফাস্ট বোলারদের জন্য বিভিন্ন পিচে খেলা এবং সেখানে পারফর্ম করার সুযোগ পাওয়া, এটাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট।’