তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হয়েছেন বুলবুলও
প্রায় দেড় মাসের ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরেই বোর্ডের কাজ শুরু করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। প্রথম দিনই জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্পের খোঁজখবর নেন তিনি।
এদিকে বিসিবির সবশেষ নির্বাচন নিয়ে চলতি মার্চের শুরুর দিকে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ইতোমধ্যেই বোর্ডের একাধিক পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট অনেকের সঙ্গেই সাক্ষাৎ করেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
বিসিবি সভাপতি আমিনুলও তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হয়েছেন। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে কমিটির এক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, দেশে ফেরার আগেই লিখিতভাবে তদন্ত কমিটিকে জবাব দিয়েছিলেন তিনি।
অন্যদিকে গত শনিবার তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। পরে রবিবার সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গেও কথা বলেছে তদন্ত কমিটি। নির্বাচনের সময় নিজের মনোনয়নপত্রও জমা দিতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হওয়া প্রসঙ্গেও তদন্ত কমিটির সামনে ব্যাখ্যা দেন ফারুক। পরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ বিষয়েও কথা বলেন।
তার ভাষ্যমতে, ‘আপনারা জানেন তদন্ত কমিটিই হয় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। আমাদের ব্যাপারে নির্দিষ্ট দুই-তিনটা জিনিস জানতে চেয়েছিল, আমার সাবমিশনটা কেন দেরি হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বলেছিলাম ওই চারটা দলের আমি যে দলের কাউন্সিলর, সেই দলটাও ছিল। এদের একটা অভিযোগের ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছিল, ওই ট্রাইব্যুনালের ফলাফল দিতে দেরি হয়েছিল। তারপর সভাপতি, সিইও তাদের অনুমতি নিয়ে আমাকে দুই ঘণ্টা বাড়িয়ে দেয়। এটার ব্যাপারে পরের দিন আমাকে নির্বাচন কমিশনার ডেকেছিলেন, সেখানেও বলতে হয়েছে কেন দেরি হয়েছে। আমি তাদেরও একই কথা বলেছি।’
অন্যদিকে নির্বাচনের আগে শেষমুহূর্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন ১৫ জন। একই অভিযোগে আরও কয়েকজনও পরবর্তী সময়ে সরে দাঁড়ান। তবে বিসিবি সহ-সভাপতি বলছেন, প্রতিপক্ষ না থাকায় এখানে ম্যানিপুলেশনও হয়নি।
তার ভাষ্যমতে, ‘আমি বলেছি, নির্বাচনে তো এখানে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। সুতরাং এখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কেমনে থাকবে? এখানে ভোটার ছিল ৭৬ জন, ৪২ ভোট কাস্ট হয়েছে এবং আমি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছি। সুতরাং ওইখানে ৩৪ ভোট নাই। যেহেতু প্রতিপ্রক্ষ ছিল না, ওইখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কম থাকে, নাই বললেই চলে। আমার মনে হয়, ভোটাভুটি যেটা হয়েছে; ঠিকই হয়েছে।’