৪৩২ রানের ম্যাচে রিশাদদের হারাল শরিফুলরা
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) একাদশ আসরের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পেশোয়ার জালমি ও রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় পেশোয়ার। ম্যাচটিতে অংশ নেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন।
পেশোয়ারের হয়ে বল হাতে শরিফুল ইসলাম ৪ ওভারে ৩১ রান দিলেও কোনো উইকেট পাননি। অন্যদিকে রাওয়ালপিন্ডির হয়ে রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ৩৫ রান খরচ করে একটি উইকেট শিকার করেন।
লাহোরে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে রাওয়ালপিন্ডি। ওপেনার ইয়াসির খানের দারুণ হাফ-সেঞ্চুরিতে দলটি ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৪ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ৪৬ বলে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৮৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন ইয়াসির।
পেশোয়ারের হয়ে আলি রাজা দুটি উইকেট নেন। ইনিংসের প্রথম ওভারেই বল হাতে আসেন শরিফুল, যেখানে ৭ রান দেন তিনি। পরের ওভারগুলোতে যথাক্রমে ৮, ৫ ও ১১ রান দেন এই বাঁহাতি পেসার। শেষ পর্যন্ত ৭ দশমিক ৭৫ ইকোনমিতে ৩১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন তিনি।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পেশোয়ারের ব্যাটাররা ছোট ছোট কার্যকর ইনিংস খেলেন। মোহাম্মদ হারিস ২৮ বলে ৪৭, বাবর আজম ২৮ বলে ৩৯, আব্দুল সামাদ ১১ বলে ৩৩ এবং মাইকেল ব্রেসওয়েল ১৭ বলে অপরাজিত ৩৫ রান করেন। বিশেষ করে সামাদ ও ব্রেসওয়েল ২৩ বলে ৬৪ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এতে ৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটে ২১৮ রান তুলে জিতে যায় পেশোয়ার।
পেশোয়ারের ইনিংসে সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম ওভারে মাত্র ৫ রান দেন রিশাদ। দ্বিতীয় ওভারে ৯ রান দিলেও উইকেট পাননি। তবে নিজের তৃতীয় ওভারে অ্যারন হার্ডিকে ৮ রানে আউট করে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দেন। প্রথম তিন ওভারে ১৭ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়ার পর শেষ ওভারে কিছুটা খরুচে হয়ে পড়েন তিনি। ওই ওভারে ২ ছক্কা ও এক চারে ১৮ রান দেন রিশাদ, ফলে তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৪ ওভারে ৩৫ রান ও ১ উইকেট।