১১ মার্চ ২০২৬, ১৫:৫৫

নাহিদ রানার ফাইফারে বিপদে পাকিস্তান

নাহিদের পাঁচ উইকেট   © টিডিসি ফটো

'হোম অব ক্রিকেটে' বল হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন নাহিদ রানা। ইনিংসের শুরুতেই আগুনে বোলিং করে পাকিস্তানের টপ-অর্ডারকে একাই ভেঙে দেন তিনি। একইসঙ্গে মিডল-অর্ডারও ভেঙে দিচ্ছেন এই পেসার। নিজের টানা ৫ ওভারের মধ্যেই টানা ৫টি উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের বড় ধাক্কা দেন।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২২ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৭৭ রান পাকিস্তানের। হোসাইন তালাতের সঙ্গে নতুন ব্যাটার হিসেবে উইকেটে এসেছেন ফাহিম আশরাফ। 

বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী শুরু করেছিলেন দলটির অভিষিক্ত দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নাহিদ রানা আক্রমণে আসার পরপরই বদলে যায় সব সমীকরণ। 

দশম ওভারে ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরানোর পর নিজের পরের দুই ওভারেও আরও দুই ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখান নাহিদ। তার বিধ্বংসী স্পেলে রীতিমতো চাপে পড়ে যায় পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

ক্রিজে এসে শুরু থেকেই স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না অভিষিক্ত শামিল হুসাইন। নাহিদের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে শুরুতেই একটি উঁচু শট খেলেন। তবে ফিল্ডার তানজিদ হাসানের হাত থেকে সে সময়ে বেঁচে যান শামিল। এরপরে ইনিংসের ১২তম ওভারে আকাশে বল তুলে দেন শামিল। এবার আর ভুল করেননি উইকেটকিপার লিটন। ৭ বলে মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার।

শামিলকে ফেরানোর ঠিক এক ওভার পর আবারও বল হাতে ভেলকি দেখান নাহিদ। এবার তার শিকার আরেক ওপেনার সাদাকাত। ওভারের চতুর্থ বলে সাইফের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনি।

এরপর রিজওয়ানও উইকেটে থিতু হতে পারেননি। গুড লেংথে করা নাহিদের বলে উইকেটের পেছনে লিটমের হাতে ক্যাচ দেন রিজওয়ান। ফেরেন ২০ বলে ১০ রান করে।

সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে ষোল কলা পূর্ণ করেন নাহিদ। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট নেন এই পেসার। তার শর্ট বলে শর্ট স্কয়ার লেগে তানজিদের হাতে ক্যাচ দেন সালমান (৫)।

এরপর অবশ্য উইকেট মিছিলে নাম লেখান মিরাজও। তার বলে লিটনের হাতে ক্যাচ দেন আব্দুল সামাদ। ডাক মেরে ফেরার পাশাপাশি একটা রিভিউও নষ্ট করেন তিনি।