ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত
নিউজিল্যান্ডকে একদম উড়িয়ে দিয়ে আবারও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল ভারত। এই জয়ের মধ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্ব আসরে তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো টিম ইন্ডিয়া।
এর আগে ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথম টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর গত আসরে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলে তারা। আর এবার সূর্যকুমার যাদবের অধিনায়কত্বে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বসেরা হলো ভারতীয় দল।
রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ভারত। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯ ওভারে ১৫৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
কিউইদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন টিম সাইফার্ট। ২৬ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। এ ছাড়া অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ৩৫ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৩ রান করেন।
ভারতের হয়ে বল হাতে দারুণ পারফর্ম করেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন তিনি। এ ছাড়া অক্ষর প্যাটেল ৩ ওভারে ২৭ রান খরচায় তুলে নেন ৩টি উইকেট।
এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলেছে ভারত। সাঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা ও ইশান কিশানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তারা।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৯ রান আসে সাঞ্জু স্যামসনের ব্যাট থেকে।
৪৬ বলে ৫টি চার ও ৮টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসে ভারতের স্কোর বড় করতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। টুর্নামেন্টজুড়েই দারুণ ছন্দে থাকা স্যামসন সেমিফাইনালেও খেলেছিলেন ৮৯ রানের ইনিংস।
তার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অপরাজিত ৯৭ রান করে দলকে সেমিফাইনালে তুলেছিলেন।
ইনিংসের শুরুতেই ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা। মাত্র ২১ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫২ রান করে দ্রুত রান তোলার ভিত গড়ে দেন তিনি।
তিন নম্বরে নেমে ইশান কিশানও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ২৫ বলে ৪টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৪ রান করে ভারতের বড় সংগ্রহ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।