ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দক্ষিণ আফ্রিকার
টপ-অর্ডারের কেউই সেভাবে ভালো কিছু করতে পারেননি। উল্টো এলোমেলো ব্যাটিংয়ে উইকেট হারিয়ে দলকে রীতিমত চাপে ফেলেন। তবে দলের বিপদের সময়ই ঢাল হয়ে দাঁড়ান ট্রিস্টিয়ান স্টাবস ও মার্কো ইয়ানসেন। তাদের ৭৩ রানের কার্যকরী জুটিতেই ১৫০ রান ছুঁয় দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষদিকে স্টাবস ফিরলেও ফিফটি ছুঁয়ে দলকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দিয়ে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন ইয়ানসেন।
বুধবার (৪ মার্চ) ইডেন গার্ডেন্সে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানের সংগ্রহ পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে ৩০ বলে সর্বোচ্চ ৫৫* করেন ইয়ানসেন।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। জোড়া আঘাত হানেন নিউজিল্যান্ডের ডানহাতি স্পিনার কোল ম্যাককনচি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফেরেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও রায়ান রিকেলটন। সমান একটি করে চার-ছক্কায় ১০ রান করেন ডি কক, আর রিকেলটন ডাক মেরে প্যাভিলিয়নে ফেরেন।
শুরুতেই জোড়া উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা। তবে সেই ধাক্কা কিছুটা সামলে নেয় তারা। পাওয়ার প্লেতে খুব বেশি ঝুঁকি না নিয়ে ৪৮ রান তোলে নেয় দলটি।
এরপর দেখেশুনেই খেলছিলেন এইডেন মার্করাম। ৩ রানে ফার্গুসনের বলে শর্ট মিডউইকেটে তার ক্যাচ ফেলে দেন রবীন্দ্র। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি মার্করাম। পরে বল হাতে নিজেই তাকে ফেরান রবীন্দ্র। ২০ বলে ১৮ রান করে আউট হন প্রোটিয়া অধিনায়ক।
এরপর বিদায় নেন ডেভিড মিলারও। ইনিংসের দশম ওভারের শেষ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে মিচেলের হাতে ক্যাচ দেন। একই ওভারের দ্বিতীয় বলেও ক্যাচ দিয়েছিলেন মিলার, তবে সেটি নিতে পারেননি গ্লেন ফিলিপস।
দুই বল পর ফেরেন ব্রেভিসও। নিশামের বলে শর্ট কভারে স্যান্টনারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ২ ছক্কা আর ৩ চারে ৩৪ রান করেন তিনি।
তবে দলের প্রয়োজনে ঠিকই জ্বলে উঠে টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন ইয়ানসেন। ২৭ বলের ফিফটি স্পর্শ করেন এই অলরাউন্ডার। শেষমেশ তার ঝোড়ো ইনিংসেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা। তাকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেওয়া স্টাবস এক ছক্কা ও ২ চারে ২৯ রানে ফার্গুসনের বলে আউট হন।