২২ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৩৯

৮ ক্যাটাগরিতে ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড দেবে ভিএসও বাংলাদেশ, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে মিলবে স্বীকৃতি

৮ ক্যাটাগরিতে ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড দেবে ভিএসও বাংলাদেশ  © সংগৃহীত

দেশের তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের সামাজিক অবদান ও মানবিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি দিতে আটটি ক্যাটাগরিতে ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ভলান্টিয়ার্স স্পার্ক আদারস’ (ভিএসও) বাংলাদেশ। এ পুরস্কারের জন্য দেশের যেকোনো জেলার ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণ স্বেচ্ছাসেবকেরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ৭ নভেম্বর।

আন্তর্জাতিক ভলান্টিয়ার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ভিএসও বাংলাদেশের উদ্যোগে ভলান্টিয়ার ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিডিএফ), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিপ্রবণতা অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট এবং অন্যান্য কৌশলগত অংশীদারের সহযোগিতায় এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

ভিএসও বাংলাদেশের ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের মাধ্যমে কমিউনিটির উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে অবদান রাখা তরুণদের এ পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। মূল্যায়নের ভিত্তিতে অসামান্য স্বেচ্ছাসেবকদের বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

পুরস্কারের জন্য নির্ধারিত আটটি ক্যাটাগরি হলো—অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন; স্বাস্থ্য, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি এবং সুস্থতা; জলবায়ু কার্যক্রম, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও সহনশীলতা; জীবিকা, কৃষিবাস্তুবিদ্যা ও খাদ্যনিরাপত্তা; জেন্ডার সমতা, প্রতিবন্ধিতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি; যুব নেতৃত্ব ও সক্রিয় নাগরিকত্ব; সামাজিক জবাবদিহি, অধিকার ও সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ এবং সামাজিক সংহতি, সুরক্ষা ও মানবিক সংহতি।

আবেদনকারীদের তাদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের সঙ্গে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ক্যাটাগরি নির্বাচন করে নির্ধারিত নমুনা অনুযায়ী (টেমপ্লেট) স্বেচ্ছাসেবক পোর্টফোলিও জমা দিতে হবে। এতে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম, ব্যক্তিগত ভূমিকা ও দায়িত্ব, কাজ করতে গিয়ে মোকাবিলা করা চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি, কমিউনিটির সম্পৃক্ততা, উপকৃত মানুষের সংখ্যা, অর্জন এবং সমাজে কাজটির সামগ্রিক প্রভাব তুলে ধরতে হবে।

পোর্টফোলিওর সঙ্গে অবদানের সমর্থনে প্রাসঙ্গিক প্রমাণ এবং কাজের সত্যতা যাচাই করতে পারবেন, এমন অন্তত একজন রেফারেন্সের তথ্য দিতে হবে। আবেদন বাংলা অথবা ইংরেজি ভাষায় করা যাবে। একজন আবেদনকারী কেবল একটি ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।

পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের সনদপত্র ও স্মারক উপহার দেওয়া হবে। এটি কোনো আর্থিক পুরস্কার নয়, বরঞ্চ স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের স্বীকৃতি। আবেদন জমা দিলেই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হওয়া নিশ্চিত নয়।আবেদনকারীদের অবদানের স্বাধীন মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে।

আগামী ৭ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবকেরা আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফরমের লিংক: https://forms.gle/8j3RMmjtcPMpPPHbA