১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৪৫

আশির দশকে ফ্যাশন আসলে কেমন ছিল?

১৯৮৮ সালে ঢাকার একটি রাস্তার দৃশ্য।  © বিবিসি বাংলা

কেউ পরেছেন হালকা রঙের প্রিন্টেড সুতি শাড়ি, কারও কারও পরনে আবার উজ্জ্বল রঙা শার্ট কিংবা টপস। কানে বড় রঙিন দুল। পুরুষদের কারও গায়ে ঢিলেঢালা শার্ট-ডেনিম জ্যাকেট, কোমরের বেশ ওপরে পরা স্ট্রেইট কাট বা বেলবটম প্যান্ট। হাতে ঘড়ি, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। নারী-পুরুষ উভয়ের মাথায়ই ঝাঁকড়া বা ফোলানো চুল।

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন অসংখ্য ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারাও এই ট্রেন্ডে যোগ দিয়েছেন। ছবিগুলো রং ও আবহেও পুরোনো দিনের ছাপ।

মূলত, বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ নিজেদের আশির দশকের আদলে তৈরি ছবি ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে নিজেদের বর্তমান ছবিকেই তারা কয়েক দশক আগের রূপ দিচ্ছেন। কিন্তু এআইয়ের তৈরি এসব ছবিতে আশির দশকের যে ফ্যাশন উঠে আসছে, বাস্তবে কি তখনকার মানুষের পোশাকের রীতি এমনই ছিল?

আশির দশকে ফ্যাশন কেমন ছিল?
আশির দশকের পোশাক-আশাকের চল নিয়ে চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরু বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, তার মতে এআই দিয়ে তৈরি ছবিগুলো সেই সময়কে শতভাগ তুলে ধরতে না পারলেও তখনকার ফ্যাশন ও বিভিন্ন অনুষঙ্গের একটি ধারণা দিতে পারছে।

তিনি বলেন, পোশাক সময়কে ধারণ করে। ওই সময়ে ক্যাসিও'র এক ধরনের ডিজিটাল ঘড়ি পাওয়া যেত। এআই'র বানানো অনেক ছবিতে ওই ঘড়িগুলো এসেছে। তারপর বেলবটম প্যান্ট বা চুল আঁচড়ানোর যে ভঙ্গি, সারা বিশ্বেই এই ফ্যাশন প্রচলিত ছিল। টেপ রেকর্ডারের মতো সে সময়ের জনপ্রিয় বিভিন্ন সরঞ্জামও এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে।

তার ভাষায়, ‘প্রপসগুলো আশির দশকেরই। পোশাক-আশাকও ওই সময়ের। এআই হয়তো একশোভাগ আনতে পারেনি, কিন্তু একটা ইমপ্রেশন দিয়েছে। আশির দশকের উপাদান, পোশাক, লুক – সব মিলিয়েই সেই সময়ের একটা ছাপ পাওয়া যাচ্ছে।’

ফ্যাশন ডিজাইনার ও ফ্যাশন হাউজ বিবিয়ানার স্বত্বাধিকারী লিপি খন্দকারও মনে করেন, এআইয়ের ছবিতে আশির দশকের কিছু বৈশিষ্ট্য বেশ ভালোভাবেই এসেছে। আশির দশকে স্কুলের নবম-দশম শ্রেণিতে পড়তেন তিনি। দশকের শেষ দিকে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়।

তার স্মৃতিতে, সে সময়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল চুলের বিশেষ ধরনের কাট। তখন সবাই চুল সামনের দিকে ছোট ছোট করে কাটত। স্টেপ কাট যেটাকে বলি, সেভাবে চুল কাটতো। ছোট চুল হোক বা বড় চুল হোক, যারা স্টাইল করতো, তাদের মোটামুটি একই ধরনের কাট ছিল। ছেলেদের মধ্যেও বড় চুল রাখার প্রবণতা ছিল। সত্তরের দশকের মতো আশির দশকেও ছেলেদের মাঝে উঁচু করে বেলবটম বা ঢিলেঢালা প্যান্ট পরার চল দেখেছেন তিনি, সঙ্গে ফিটিং শার্ট।

তবে এআইয়ের ছবিগুলোতে চুলের ধরনের সঙ্গে আশির দশকের বেশ মিল খুঁজে পেলেও পোশাকের ক্ষেত্রে লিপি খন্দকারের পর্যবেক্ষণ কিছুটা ভিন্ন। কারণ এআই যে সব ছবি বানাচ্ছে, তাতে অনেক মেয়েদের মাথায় রঙ্গিন ব্যান্ডানার মতো কাপড় যুক্ত করতে দেখা যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিনেমায় দেখতাম বা যারা গান-টান গাইতো, তারা মাথায় একটু স্কার্ফ দিয়ে ব্যান্ডানার মতো পরতো, অনেকটা বো টাইপের। কিন্তু তখনও বাস্তবে এটা পরার খুব একটা চল ছিল না। আশির দশককে এআই কিছুটা রিপ্রেজেন্ট করছে। চুলের স্টাইলের ক্ষেত্রে অনেকটাই মিলে। কিন্তু পোশাকটা বাস্তব জীবনে এতখানি দেখিনি।

লিপি খন্দকারের স্মৃতিতে, নারীদের পোশাকে সে সময় 'ম্যাগি হাতা'র বেশ চল ছিল, সেটা স্লিভলেসের চেয়ে একটু বড়। ব্লাউজ থেকে শুরু করে টপস ও অন্যান্য পোশাকেও এ ধরনের হাতা দেখা যেত। বাংলাদেশে শাড়ির সঙ্গে স্লিভলেস কিংবা ম্যাগি হাতার ব্লাউজ পরতেন অনেকে। শিফন ও তাঁতের শাড়িও ছিল প্রচলিত ছিল বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে ওই সময়েই তাঁতের শাড়ি পরার প্রচলন শুরু হয়েছিল। আর ড্রেসের ক্ষেত্রে স্কার্ট-টপস সবাই পরত। টপগুলো ছিল ম্যাগি হাতা। স্কার্টের দৈর্ঘ্য সাধারণত হাঁটুর কিছুটা নিচে থাকত। এর পাশাপাশি কলার দেওয়া শার্ট, পেন্সিল হিল পরার কথাও মনে পড়ে তার। পলকা ডটের পোশাক, হল্টার নেক ব্লাউজও ওই সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়।

সালোয়ার-কামিজের ক্ষেত্রেও ছিল আলাদা ধরন। মিড-লেংথ কামিজের পাশাপাশি ঢিলেঢালা বা ব্যাগি টপের সঙ্গে ধুতি ধরনের সালোয়ারও পরতেন কেউ কেউ। কেউ আবার সালোয়ার কামিজের সঙ্গে ভেলভেটের জ্যাকেটও পরতেন। পোশাকে নির্দিষ্ট কোনো একটি রঙের আধিপত্য ছিল না বলে জানান লিপি খন্দকার। তবে তার স্মৃতিতে সে সময় ম্যাজেন্টা রঙের বেশ চল ছিল।

আর পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা ও কানের দুল পরার প্রবণতাও ছিল। বিশেষ করে বড় গোলাকার উজ্জ্বল রঙ্গের কানের দুল ওই সময়ে বেশ জনপ্রিয়। তিনি বলেন, চাঁদনী চক বা গাউছিয়া মার্কেটে গেলে ঝাঁপিয়ে পড়তাম, নতুন কী আসছে দেখতে। ফিরোজা কালারের ড্রেস হলে ওই কালারের কানের দুল লাগত। ড্রেসের সঙ্গে ম্যাচিং জুতা, কানের দুল দেখা যেত।

আন্তর্জাতিকভাবেও আশির দশকের ফ্যাশনে উজ্জ্বল রং, কাঁধের কাছে কুঁচি দেওয়া বড় ও ফোলানো হাতা, চওড়া কাঁধ, বড় আকারের অলংকারের ব্যবহার দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাশন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির 'ফ্যাশন হিস্ট্রি টাইমলাইন' অনুযায়ী, এগুলো ছিল আশির দশকের ফ্যাশানের অন্যতম কিছু বৈশিষ্ট্য।

অন্যদিকে, ফ্যাশন সাময়িকী 'ভোগ'-এর আশির দশকের ফ্যাশন নিয়ে একটি পর্যালোচনায় বলা হয়, ওই সময়ে শরীরের সঙ্গে লেগে থাকা লাইক্রার পোশাকের পাশাপাশি নারীদের 'পাওয়ার স্যুট'-ও বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

১৯৮৫ সালে 'ভোগ' এ ধরনের ফ্যাশনকে নারীদের আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতার প্রকাশের পরিবর্তিত ধারার সাথে যুক্ত করে 'পাওয়ার ড্রেসিং' হিসেবে তুলে ধরেছিলো।

কারা ফ্যাশন অনুসরণ করতেন, উৎস কী ছিল?
এআইয়ের ছবিগুলো দেখলে মনে হতে পারে, আশির দশকের প্রায় সবাই বুঝি একই ধরনের পোশাক পরতেন কিংবা একইভাবে চুল সাজাতেন। বাস্তবতা অবশ্য তেমন ছিল না বলে জানান লিপি খন্দকার।

"যারা কনজারভেটিভ ছিল, তারা এরকম ফ্যাশন ফলো করতো না। তারা সরাসরি সালোয়ার-কামিজ, ওড়না বা শাড়ি – মানে রাখঢাক পোশাক পরতো। যারা একটু স্টাইল করে পরতে পছন্দ করতো বা পরিবার অনুমতি দিত, তারা এভাবে পরতো," বলেন তিনি। তার মতে, কে ফ্যাশন অনুসরণ করবেন, সেটি শুধু আর্থসামাজিক অবস্থানের ওপর নির্ভর করতো না। পরিবার ও সামাজিক পরিবেশ থেকে পোশাকের ক্ষেত্রে কতটা স্বাধীনতা পাওয়া যাচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। "মধ্যবিত্তদের মাঝেও যারা স্বাধীনতা পেত, তারা ফ্যাশন ফলো করে পোশাক পরতো। এটা শ্রেণীর বিষয় না বলে আমার মনে হয়।"

এদিকে, চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরুও মনে করেন, আশির দশকের সবাই একই ধরনের ফ্যাশন অনুসরণ না করলেও সিনেমা, গানসহ জনপ্রিয় সংস্কৃতির সংস্পর্শে যারা ছিলেন, তাদের মধ্যে বিশেষ কিছু পোশাক ও সাজ অনুসরণের প্রবণতা ছিল।

ওই সময়ে "যারা পপ কালচার দেখেছে, যারা গান-বাজনা করতো... ওইসব ছেলেদের অধিকাংশই বড় বড় চুল রাখতেন," বলছিলেন তিনি।

তবে লিপি খন্দকারের চেয়ে কিছুটা ভিন্নভাবে বিষয়টিকে দেখছেন বিধান রিবেরু। তার মতে, জনপ্রিয় সংস্কৃতির ফ্যাশন দ্বারা মধ্যবিত্তরাই তুলনামূলক বেশি প্রভাবিত হতেন।

"কারণ খাওয়া-পরার পর তিন স্তরের মধ্যবিত্তদেরই – নিম্ন মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত – কিছুটা সময় উদ্বৃত্ত থাকে, যেখানে তারা শিল্প, সাহিত্য ও চলচ্চিত্র চর্চা করে এবং সেটার দ্বারা প্রভাবিত হয়। উচ্চবিত্তদের সাধারণত কোনোকিছুতেই কিছু এসে যায় না, তাদের সিনেমা দেখার সময়ও নেই," বলছিলেন তিনি।

সেজন্যই, চলচ্চিত্রের অন্যতম বড় দর্শকগোষ্ঠীও মধ্যবিত্ত। ফলে পর্দায় কোনো পোশাক, চুলের ধরন বা বিশেষ 'লুক' জনপ্রিয় হলে মধ্যবিত্ত দর্শকদের একটি অংশের মধ্যে সেটি অনুসরণের প্রবণতা দেখা যেত বলে মনে করে বিধান রিবেরু।

আর তখন ইন্টারনেট কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম না থাকায় আশির দশকে নতুন ফ্যাশন ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যম ছিল মূলত সিনেমা, টেলিভিশন ও পত্রপত্রিকা।

কিন্তু সেই সময়ে নতুন ফ্যাশনের খবর মানুষের কাছে পৌঁছাত কীভাবে? ইন্টারনেট কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম না থাকায় সিনেমা, টেলিভিশন ও পত্রপত্রিকাই ছিল নতুন পোশাক ও সাজ সম্পর্কে জানার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

লিপি খন্দকার নিজে ওইসময় বলিউডের সিনেমা খুব একটা না দেখলেও তার স্মৃতিতে বিশেষ জায়গা দখল করে আছে মার্কিন টেলিভিশন সিরিজ 'ডালাস'। সিরিজটির নারী চরিত্রদের চুলের স্টাইল বাংলাদেশের অনেক নারী অনুসরণ করতেন বলে জানান তিনি। "ডালাসের পামেলা কীভাবে চুল কাটতো, তা ফলো করত। পার্লারে গেলেও ডালাসের ছবিগুলোই আমাদের দেখাতো। আমার নিজেরও কখনও পামেলার মতো, কখনও শার্লির মতো চুল কাটতে ইচ্ছে করতো।"

পর্দায় দেখা পোশাক সবার পক্ষে অনুসরণ করা সম্ভব না হলেও চুলের স্টাইল অনুকরণ করা তুলনামূলক সহজ ছিল বলে জানান তিনি। 'বিচিত্রা'র মতো সাময়িকী থেকেও তখনকার তরুণরা ফ্যাশনের ধারণা পেতেন।

অন্যদিকে, চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরুর মতে, বাংলাদেশের মানুষের পোশাক ও চুলের স্টাইলে তখন বলিউডের ব্যাপক প্রভাব ছিল। বিশেষ করে অমিতাভ বচ্চনের মতো বলিউড তারকাদের মাধ্যমে জনপ্রিয় হওয়া 'অ্যাংরি ইয়াং ম্যান' ধরনের চেহারা ও পোশাকের প্রভাব সে সময়ের তরুণদের মধ্যে দেখা যেত।

"আগে ইন্টারনেট ছিল না। তখন টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও প্রিন্ট অনেক প্রভাবিত করেছে। সেসময় 'বিচিত্রা' বেরোত। প্রচুর নায়ক-নায়িকার ছবি সম্বলিত প্রচ্ছদ বেরোত। ফ্যাশনের ধারণা সেখানে পাওয়া যেত," বলেন বিধান রিবেরু।

অর্থাৎ, এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কোনো ফ্যাশন ছড়িয়ে পড়লেও আশির দশকে সেই সিনেমা, টেলিভিশন, ম্যাগাজিন, পত্র-পত্রিকাই ছিল নতুন পোশাক, চুলের ধরন, সাজ সম্পর্কে জানার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

এআই কেন সবাইকে প্রায় একই রকম দেখাচ্ছে?
আশির দশকের কিছু উপাদান বাস্তবের সঙ্গে মিললেও এআই দিয়ে বানানো ছবিগুলোতে একটি বিষয় বেশ স্পষ্ট যে প্রায় সবার ছবিতেই একই ধরনের পোশাক, চুল ও অনুষঙ্গ বারবার ফিরে আসছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা আকবর মনে করেন, এ ধরনের ছবি তৈরিতে যে জেনারেটিভ এআই টুল ব্যবহার করা হচ্ছে, সেই টুলের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

তিনি বলেন, "যে জেনারেটিভ টুল দিয়ে ছবিগুলো বানানো হচ্ছে, এটি সেই টুলের ব্যর্থতা। টুলটি এখনো খুব একটা ভালো নয় বলেই এ ধরনের আউটপুট দিচ্ছে।" তার মতে, এ ধরনের ছবি তৈরির জন্য এআই মডেলটিকে হয়তো পর্যাপ্ত তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি কিংবা সেটিকে ঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়নি। এ কারণে আশির দশক বলতে মডেলটি তার কাছে থাকা কিছু পরিচিত বৈশিষ্ট্য বারবার ব্যবহার করে একই ধরনের ছবি তৈরি করতে পারে। "মডেল টিউনিংয়ের কিছু প্রক্রিয়া আছে। সেগুলোর সব হয়তো ব্যবহার করা হয়নি। আবার বিনামূল্যের সার্ভিস দিয়ে যদি কেউ বানায়, তাহলে হয়তো একরকম ছবি পাচ্ছে। কিন্তু পেইড সংস্করণে হয়তো আরও ভালো ছবি আসছে। এমনও হতে পারে, প্রাথমিকভাবে মার্কেটিংয়ের অংশ হিসেবে তারা এটি ছেড়েছে," বলেন অধ্যাপক মোস্তফা আকবর।

লিপি খন্দকারও ছবিগুলো দেখে একই ধরনের পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করেছেন। "এআই একটা (স্যাম্পল) বের করে সবাইকে একই রকম সাজাচ্ছে," বলেন তিনি।

তবে অধ্যাপক মোস্তফা আকবর মনে করেন, ব্যবহারকারীদের অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া ভবিষ্যতে এ ধরনের টুলকে আরও উন্নত করতে পারে। তার ভাষায়, "এই অভিযোগগুলোই টুলটিকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে।"