দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বৃষ্টি
দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি।
আজ শনিবার (৯ মে) বিকেলে জানাজা শেষে মাদারীপুরের সদর উপজেলার চর গোবিন্দপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এরআগে শনিবার সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে বৃষ্টির মরদেহ। সেখান থেকে দুপুরে মরদেহ নেওয়া হয় মাদারীপুর সদর উপজেলার চর গোবিন্দপুরে তাদের বাড়িতে। একমাত্র মেয়ের নিথর দেহ দেখতে স্বজন, প্রতিবেশী ও শৈশবের বন্ধুদের ভিড়ে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য অবস্থানকালে সহপাঠী জামিল আহম্মেদ লিমনের সঙ্গে এক মার্কিন নাগরিক রুমমেটের বিরোধের জেরে গত ১৬ এপ্রিল ক্যাম্পাস থেকে বৃষ্টি ও লিমনকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। পরে ৩০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ বৃষ্টির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন আকন বলেন, আমার মেয়ে স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে গিয়েছিল। তাকে লাশ হয়ে ফিরতে হবে, এটা কখনো ভাবিনি। আমরা এই ঘটনার ন্যায়বিচার চাই।
পরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে বৃষ্টিকে দাফন করা হয়। স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে যাওয়া এক তরুণীর অসমাপ্ত জীবন এখন পরিবার ও স্বজনদের কাছে শুধুই শোক আর বিচার দাবির প্রতীক।