৫ হাজার তরুণের অংশগ্রহণে ঢাকায় ইয়ুথ ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন সামিট ২৪ সেপ্টেম্বর
দেশের তরুণদের দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন সামিট ২০২৬ (IYIIS 2026)। রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী Dhaka College প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাঁচ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ও তরুণ অংশগ্রহণ করবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা।
যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠন YouthVerse Union আয়োজিত এই দিনব্যাপী সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘Zero Unemployment’। পরিবর্তনশীল বিশ্বে তরুণদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সেশন অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, সামিটটির মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন ১৭ থেকে ১৮ বছর বয়সী একদল তরুণ সংগঠক। তাদের বিশ্বাস, তরুণদের সমস্যা ও সম্ভাবনা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারে তরুণরাই। সেই ভাবনা থেকেই আন্তর্জাতিক পরিসরের এই উদ্যোগের সূচনা।
সামিটে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ পাবেন। কর্মজীবনের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে সামাজিক সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান খোঁজার মতো নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে পুরো আয়োজন।
আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য আল মামুন সৃজন বলেন, ‘আমরা চাই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগের অংশ হোক। জ্ঞান, দক্ষতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। তাই ফ্রীতেই যেকোনো শিক্ষার্থী যেন যেকোন প্রান্ত থেকে যুক্ত হতে পারে - আমাদের নেয়া এই উদ্যেগ।’
সামিটের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান প্রস্তুতি বিষয়ক বুটক্যাম্প, উদ্ভাবন ও সামাজিক ব্যবসা প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক অতিথিদের অংশগ্রহণে প্যানেল আলোচনা, মেন্টরশিপ সেশন এবং বৃহৎ পরিসরের অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা। এছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে নতুন ধারণা বিনিময়, সহযোগিতা গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোগের পথ খুঁজে নেওয়ার সুযোগ।
আয়োজকদের মতে, IYIIS 2026 শুধু একটি সম্মেলন নয়; এটি এমন একটি উদ্যোগ, যা তরুণদের চাকরি খোঁজার মানসিকতার বাইরে গিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নেতৃত্ব এবং সামাজিক প্রভাব তৈরির দিকে অনুপ্রাণিত করবে। দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ যুব সম্মেলনে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।