৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫

ঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট  © সংগৃহীত

গাজীপুরের কাশিমপুরে ঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে রিয়াজুল শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের স্বজনদের কাছ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, দগ্ধ রিয়াজুল শেখের শরীরের প্রায় ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ছাড়া রিয়াজুলের স্ত্রী আরিফা বেগমের (৩৫) শরীরের ৫ শতাংশ, মেয়ে ফারিয়ার ৮ শতাংশ, পুত্রবধূ রোজিনা বেগমের ১ শতাংশের কম এবং শিশু রহিমের ১ শতাংশের কম পুড়ে গেছে।

দগ্ধ রিয়াজুল শেখের বাবার নাম কালা মিয়া শেখ। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার কেষ্টপুর গ্রামে। তিনি কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ স্কয়ার গেটসংলগ্ন একটি বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

রিয়াজুলের পুত্রবধূ রোজিনা বেগম জানান, তারা যে বাসায় থাকেন সেখানে তিনটি কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি কক্ষে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। পাশের একটি ছোট কক্ষে (পকেট রুম) এক দম্পতি থাকেন। তারা প্রতিদিন ভোরে কাজে চলে যান।

রোজিনা বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে তার শাশুড়ি ওই দম্পতির কক্ষের সামনে বসে ফোন দেখছিলেন। এ সময় হঠাৎ গ্যাসের গন্ধ পান তিনি। বিষয়টি ওই দম্পতিকে জানানো হয়। পরে তার শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদ চাবি নিয়ে কক্ষটির দরজা খুললে ভেতর থেকে তীব্র গ্যাসের গন্ধ বের হতে থাকে।

তিনি বলেন, ঘরটি অন্ধকার থাকায় তার শ্বশুর লাইট জ্বালাতে গেলে সুইচ চাপার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যরা দগ্ধ হন।

রোজিনা বেগমের ধারণা, ওই কক্ষে একটি গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। সিলিন্ডারে লিকেজের কারণে ঘরে গ্যাস জমে গিয়ে সুইচ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে।