২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৪০

৯ বছরের সংসার ও সন্তান রেখে উধাও স্ত্রী, দুধ দিয়ে গোসল প্রবাসীর

সৌদি প্রবাসীর দুধ দিয়ে গোসল   © সংগৃহীত

দীর্ঘ ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ৬ বছরের সন্তানকে রেখে অন্য এক যুবকের সঙ্গে চলে গেছেন স্ত্রী। সাথে নিয়ে গেছেন তিন লাখ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকারও।

এমন খবরে তুলে সৌদি আরবে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন জামালপুরের প্রবাসী আজিজ আকন্দ। ছয় বছরের শিশুকন্যাকে রেখে স্ত্রী চলে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ করেন তিনি। পরে তাঁর দুধ দিয়ে গোসলের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকাল থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আজিজ আকন্দকে বলতে শোনা যায়, ‘বিশ্বাস করে রেখে গেছিলাম স্ত্রীকে, ফুটফুটে শিশুকন্যা রেখে চলে গেছে অন্যের হাত ধরে, আমি কাবাঘরে গিয়ে আল্লাহর কাছে বিচার দিবো।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজিজ আকন্দ জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরগোপালপুর এলাকার বাসিন্দা। জীবিকার তাগিদে প্রায় ৪ বছর বছর আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। প্রায় নয় বছর আগে শান্তনা আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে ছয় বছরের একটি মেয়েসন্তান রয়েছে।

আজিজের অভিযোগ, গত বুধবার বিকেলে শিশুকন্যাকে রেখে অন্য এক যুবকের সঙ্গে চলে যান তাঁর স্ত্রী শান্তনা আক্তার। এ সময় তিনি তিন লাখ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে সৌদি আরব থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ করেন আজিজ। ওই সময় দুধ দিয়ে গোসল করার ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি আলোচনায় আসে।

ভিডিওতে আজিজকে বলতে শোনা যায়, ‘নারীর মায়া, বিশ্বাস করে রেখে গেছিলাম, ৯ বছরের সংসার ভেঙে ৬ বছরের একটি ফুটফুটে শিশুকন্যা রেখে চলে গেছে অন্যের হাত ধরে। আমি সৌদি আরবে দুধ দিয়ে গোসল করলাম, বিচার দিমু কাবাঘরে, আল্লাহর কাছে।’

এদিকে এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মাদারগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন আজিজের পরিবারের লোকজন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শান্তনা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁর পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য জানতে বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

মাদারগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল হাসেম বলেন, আজিজ আকন্দের পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।