১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:২৩

সারের কোনো রকমের সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী

ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ  © টিডিসি

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘সারের কোনো রকমের সংকট নেই। সারের সংকট থাকলে বিভিন্ন মিলে সার পাওয়া যাচ্ছে কোথায় থেকে? মূলত সার থাকার কথা ডিলারের কাছে। কিন্তু সার পাওয়া যাচ্ছে ডিলার নয় এমন লোকদের কাছে। এই দুষ্ট লোকদের কারণে সমাজ, কৃষক ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নজরদারির জন্য বেশ কয়েকটি টিম করা হয়েছে। খুব দ্রুত এ চক্র তাদের দুষ্টামিতে ব্যর্থ হবেন।’

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালকের দুর্নীতি ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ প্রসঙ্গে আমিন উর রশিদ বলেন, সরকারের কোনো কর্মকর্তা যদি দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকে তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে এ কর্মকর্তার বিষয়েও অভিযোগগুলো তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিয়মানুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

কৃষক কার্ডে স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ফুলগাজী সফরে এখানে ৭ হাজারের বেশি কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। সারা দেশে ১ লাখ ১০ হাজার কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রতিটি উপজেলার ইউনিয়নভিত্তিক ব্লকে কাজ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ২ কোটি কৃষক এর আওতায় আসবে। কৃষকভেদে বহু ধরনের কৃষক কার্ড রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কৃষকরা এই কার্ড পেয়ে যাবে। কৃষক কার্ডে স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফুলগাজী সফর সামনে রেখে প্রস্তুতির অগ্রগতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় মাঠে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেওয়া প্রস্তুতি, জনসমাগম ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে খোঁজখবর নেন তিনি।

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কাউছার হামিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেলী নোশীন প্রত্যাশা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।