বসে গল্প করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, হঠাৎ মুখোশধারীদের হামলা
পাবনার সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিনের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মুখোশধারী ১০-১২ জন যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের গাজনার বিলের খয়রান ব্রিজের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আমিন উদ্দিন ভায়না গ্রামের মৃত আহেদ আলীর ছেলে। তিনি টানা দুবারের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় গাজনার বিলের খয়রান ব্রিজের নিচে এক ব্যক্তির সঙ্গে বসে গল্প করছিলেন চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে ১০-১২ জন মুখোশধারী যুবক সেখানে আসে। পরে তারা চেয়ারম্যানের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।
চেয়ারম্যানের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়। তবে কারা কি কারণে হামলা করেছে, তা জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, আমিন উদ্দিন চেয়ারম্যান হলেও অত্যন্ত সাদাসিদে জীবন যাপন করেন। তিনি কৃষিকাজের সঙ্গেও যুক্ত। কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন না। সৎ ও সাধারণ মানুষ হিসেবে এলাকায় তার পরিচিতি রয়েছে। নিয়মিত ইউনিয়ন পরিষদে বসে তিনি মানুষের সেবা দিয়ে আসছেন। তার ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে সুজানগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ বলেন, ‘চেয়ারম্যানের পরিবারকে আগে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তুলতে হবে। আমরা এ মুহূর্তে জরুরি অভিযানে আছি। অভিযান শেষ করে খোঁজখবর নেওয়া হবে। এরপর আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’