কলেজে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কা, কলেজছাত্র গুরুতর আহত
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কলেজে যাওয়ার পথে ঈগল পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় ইমতিয়াজ উদ্দিন হৃদয় (২০) নামের দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা ইউনিয়নের শিশুতল বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত ইমতিয়াজ উদ্দিন হৃদয় বান্দরবান সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুদি দোকানি লোকমান আহমদের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমতিয়াজ উদ্দিন হৃদয় মোটরসাইকেল চালিয়ে কলেজে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ঈগল পরিবহনের একটি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষ অবস্থায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
আরও জানা জানা যায়, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ঈগল পরিবহনের বাসটি সাতকানিয়া অতিক্রম করে লোহাগাড়া এলাকায় পৌঁছার পর মহাসড়কের পাশে বাসটি রেখে চালক ও হেলপার পালিয়ে যান। পরে দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি টিম সেখানে গিয়ে বাসটি আটক করেছেন বলে জানা গেছে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন ঈগল পরিবহনের বাসটি আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইমতিয়াজ উদ্দিন হৃদয়ের পিতা লোকমান আহমদ বলেন, ‘আমার একটি মুদিদোকান রয়েছে। আমার ছেলে মাঝেমধ্যে দোকানে সময় দেয়। আজকে সকালে সে কলেজে কিছু কাগজপত্র জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিল। পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি।’
দোহাজারী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তারা দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ঈগল বাসটিকে আটক করেছে বলে জানতে পেরেছি।’