চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ৬৯ কিলোমিটারের জশনে জুলুস
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আনজুমান-এ নকশবন্দিয়া মুজাদ্দেদিয়া বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত জশনে জুলুসটি প্রায় ৬৯ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ধর্মপুর দরবার শরীফে পৌঁছেছে।
জানা যায়, সকাল ৮টার দিকে জশনে জুলুসটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা থেকে সাতকানিয়া উপজেলার ধর্মপুর দরবার শরীফের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। প্রায় ৬৯ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জুলুসটি দরবার শরীফে পৌঁছায়।
আরও জানা যায়, জুলুসে খুলনা দরবার শরীফসহ কর্ণফুলী, পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, দোহাজারী ও সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক মুরিদান, আশেকান ও নবীপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন। জুলুসটি ধর্মপুর দরবার শরীফে পৌঁছানোর পর দরবার শরীফের মাঠ প্রাঙ্গনে মিলাদ মাহফিল শুরু হয়। এরপর জোহরের নামাজ আদায় শেষে জশনে জুলুসে আগত মুরিদান, আশেকান ও নবীপ্রমীদের মাঝে তাবরুক বিতরণ করা হয়।
এতে প্রধান মেহমান ছিলেন, আওলাদে গাউসুল আযম খুলনবী (রহ.), পীরে কামেল হযরতুলহাজ্ব আল্লামা খাজা শফিক আহমদ নকশবন্দী মুজাদ্দেদী (মা.জি.আ.) এবং ছদারত করেন, খলিফায়ে গাউসুল আযম খুলনবী (রহ.), পীরে তরিকত হযরতুলহাজ্ব আল্লামা কাযী সৈয়্যদ মোহাম্মদ আবদুশ শাকুর রায়হান আযিযী নকশবন্দী মুজাদ্দেদী (মা.জি.আ.)।
জশনে জুলুসে অংশ নেওয়া পুরানগড় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ জানান, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও জীবনাদর্শ স্মরণের এ বৃহৎ আয়োজন ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে নবীপ্রেম, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করবে।