৩১ জুলাই ২০২৬, ১৮:৫০

খাল খননের জন্য বরাদ্দকৃত কোটি টাকা ফেরত গেল সরকারের কোষাগারে

বলার বিল খাল পুনঃখনন  © সংগৃহীত

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ও সিধলা ইউনিয়নের দুই খালের শ্রমিক তালিকা দাখিলে বিলম্ব হওয়ায় ও প্রকল্পের স্থানে পানি থাকায় সরকারের কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে প্রায় কোটি টাকা। দুটি খালে মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ২২৭ টাকা। এর মধ্যে বলার বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ওয়েজ খাতের ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয়া বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ননওয়েজ খাতে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত যাচ্ছে। দুটি খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা। তিনি জানান, প্রকল্প এলাকায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন। প্রকল্প এলাকায় অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এবং প্রকল্পের শ্রমিকদের তালিকা বিলম্ব হওয়ায় এ প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, জমিসংক্রান্ত জটিলতা, নিয়োজিত শ্রমিক কম হওয়ায় খালের ড্রেসিং, স্লোপিং সঠিকভাবে করা যায়নি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের ৬ নং ও ৭ নং ওয়ার্ডের বলার বিল খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অধীনে ওয়েজ খাতে ৭৬ লাখ ১০ হাজার ৮২৭ টাকা ও ননওয়েজ ৬৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮০১ কোটি ৪০ লাখ ৬২৭ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। খালটির খনন কাজ শেষ হলে গড় গভীরতা ২.০ মিটার, ১ হাজার ৯০০ মিটার উপরিভাগ ৬.৫ মিটার, তলদেশ ২.৫ মিটার, গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।
অপরদিকে বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল হতে চাকুরিয়া বিল হয়ে ঢালিয়া বিল পর্যন্ত খান পুনঃখনন খাতে ওয়েজ ৪০ লাখ ৬০ হাজার ৩০০ টাকা, ননওয়েজ ৫১ লাখ ২১ হাজার ৩০০ টাকাসহ মোট ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন হলে খালের গড় গভীরতা ২.০ মিটার, দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৩৬ মিটার, উপরিভাগ ৭.৫ মিটার, তলদেশ ৩.৫ মিটার, গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।