২২ জুলাই ২০২৬, ১৭:১০

পাবনায় ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্মস্থানের জমি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি এলাকাবাসীর

দাবি-সংবলিত আবেদনপত্র অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেন এলাকাবাসী। বুধবার দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হলরুমে  © টিডিসি

পাবনার হিমাইতপুরে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্মস্থানের শুন্য দশমিক ১৫ একর জমি নির্বিঘ্নে পরিচালনা নিশ্চিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বুধবার (২২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা জেলা প্রশাসেকর কার্যালয়ে গিয়ে আবেদনপত্রটি জমা দেন তারা। এ সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ একটি র‌্যালি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য দেন আফজাল হোসেন, মান্নান মালিথা, আবুল কালাম প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, পাবনার হিমাইতপুরে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে স্থানীয় জনগণের কাছে শ্রদ্ধা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে এবং এর সেবামূলক কর্মকাণ্ডে বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। 

কিন্তু সম্প্রতি কিছু বহিরাগত ব্যক্তি ও একটি ভারতীয় সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম কর্তৃক পরিচালিত নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং ঠাকুরের জন্মস্থান দখলের পাঁয়তারা করছেন। ভারতীয় সংগঠনের আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক পাবনার হিমাইতপুর শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গকে দেওয়া ঠাকুরের জন্মস্থানের শূন্য দশমিক ১৫ একর জমি হস্তান্তর এবং নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানান তারা।

সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসক এর কাছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ৫৪৭ জনের স্বাক্ষরংসবলিত আবেদনপত্র জমা দেন। এ সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘স্যার অনুপস্থিত থাকায় স্যারের পক্ষে আমি আবেদনটি গ্রহণ করেছি। আবেদনটি যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর, তাই স্যার আসলে স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। সেই সঙ্গে সেখান থেকে পাওয়া নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’