২০ জুন ২০২৬, ১০:৩৩

মিরসরাইয়ে ব্রাজিলের কাছে ৩-২ গোলে হারল আর্জেন্টিনা

ব্রাজিলের কাছে ৩-২ গোলে হারলো আর্জেন্টিনা   © টিডিসি ফটো

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ফুটবলপ্রেমীদের প্রাণের দুই দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে সামাজিক সংগঠন দুর্বার প্রগতি সংগঠনের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী মালিয়াইশ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ম্যাচ উপভোগ করতে মাঠে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী শত শত ফুটবলপ্রেমী দর্শক। সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মাঠ ও আশপাশের এলাকা।

ম্যাচের শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। টানটান উত্তেজনা আর পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল সমর্থক দল ৩-২ গোলের ব্যবধানে আর্জেন্টিনা সমর্থক দলকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করে। 

দুর্বার প্রগতি সংগঠনের সভাপতি ও খেলা আয়োজন কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন,  'খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক হলেও আজকের ম্যাচে জয়-পরাজয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। 

তিনি আরো বলেন, 'মাঠে ব্রাজিল সমর্থকরা জয়লাভ করেছে, তবে উভয় দলই দারুণ নৈপুণ্য ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য এ ম্যাচটি দর্শকদেরও দারুণ আনন্দ দিয়েছে।'

ব্রাজিল সমর্থক ইকবাল হোসেন বলেন, 'ব্রাজিলের জয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত। মাঠে ব্রাজিল দল শুরু থেকেই দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়েছে। আজকের জয় আমাদের সমর্থকদের আবেগ,ভালোবাসা ও ঐক্যের প্রতিফলন। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, খেলার মাধ্যমে আমরা সবাই একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরেছি। এবারের বিশ্বকাপটাও আমাদেরই হবে।'

আর্জেন্টিনা সমর্থক জে এ চৌধুরী তপু বলেন, 'আজকের ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং উপভোগ্য। আর্জেন্টিনা সমর্থক হিসেবে আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছি, তবে মাঠের খেলায় আমরা এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়েছি। জয়-পরাজয় খেলারই অংশ, তবে সবচেয়ে বড় পাওয়া হলো আমরা সবাই একসঙ্গে সুন্দর একটি ফুটবল পরিবেশ উপভোগ করতে পেরেছি। সবচেয়ে বড় কথা আমারা এই বিশ্বকাপেও ফেভারিট। বিশ্বসেরা মেসিও চীরচেনা ছন্দে আছে।