২৯ মে ২০২৬, ১৯:৪১

সড়ক পরিচ্ছন্ন হলেও ড্রেন-অলিগলিতে জমে থাকা কোরবানির বর্জ্যে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ

কোরবানির পশুর বর্জ্যে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ  © সংগৃহীত

ড্রেনে পানির প্রবাহ না থাকায় কোরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্যের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকার অলিগলিতে। যার কারণে রক্ত বা বর্জ্য পরিষ্কার করে ড্রেনে ফেললেও এই গন্ধ থেকে মুক্তি মিলছে না। এমতাবস্থায় ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন ও বাড়ির মালিকরা ড্রেনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি নিষ্কাশন করলে বর্জ্য পরিষ্কার হয়ে এই দুর্গন্ধ দূর হতে পারে।

এদিকে ঈদুল আজহার দিন এবং পরদিন রাজধানীর প্রায় সবগুলো মূল সড়ক থেকে ৈ নগর কর্তৃপক্ষ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করলেও পশুর হাট ও অলিগলিতে থাকা পশুর বর্জ্য এখনো রয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ও শুক্রবার (২৯ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মূল সড়কে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বর্জ্য অপসারণে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। 

তবে সকালে রাজধানীর বিভিন্ন অলিগলিতে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, মূল সড়কে গুরুত্ব দেওয়া হলেও অলিগলিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তুলনামূলক কম আসায় অপরিচ্ছন্ন থেকে গেছে। তাই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে গেছে।

শুক্রবার (২৯ মে) সকালে শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির পশুর হাটে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করতে এসে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, দায়িত্বে অবহেলায় কিছু কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইজারাদার হাট পরিষ্কার না করায় তাদের জরিমানা করা হবে। পরবর্তীতে তারা আর ইজারা পাবে না।

জানা গেছে, ঈদের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ফেলা হয়েছে। এছাড়া ঈদের দ্বিতীয় দিন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৬ টন। 

মো. আবদুস সালাম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বর্জ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। রাত ১টা পর্যন্ত অপসারণ করা হয়েছে। রাতে ট্রাক না থাকায় মূল সড়কে রাখা হয়েছিল বর্জ্য। সকালে সেখান থেকে অপসারণ করা হচ্ছে।