বাস-মাইক্রোবাস-প্রাইভেট কারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫
গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
আজ সোমবার (২৫ মে) দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাশুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আব্দুল কালামের ছেলে আব্দুল করিম (২৮), কোটালীপাড়া উপজেলার বাগান উত্তর পাড়া গ্রামের সামাদ শেখের ছেলে হালিম শেখ (৫৮), একই উপজেলার টুপুরিয়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে আজিজুর রহমান (৪৫), একই গ্রামের কালাম মোল্লার মেয়ে ফাতেমা (৪২), আজিজুর রহমানের মেয়ে তাহসিনা (২০), একই উপজেলার বন্দে আলীর ছেলে রিফাত আলী (২০), একই উপজেলার মাঝবাড়ী গ্রামের দাউদ দাড়িয়ার ছেলে মামুন দাড়িয়া (৪২) ও প্রাইভেট কারের চালক খুলনার ছোট বয়রার লোকমান ফরাজী ছেলে রাব্বি (২৯)।
গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহম্মেদ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কোটালীপাড়া স্টার এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে অপর একটি বাসকে ওভারটেক করতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় পেছন থেকে একটি প্রাইভেটকারও সজোরে মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়।
এতে যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায় এবং মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের চালক নিহত হন। এছাড়া বাস ও প্রাইভেটকারের অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। গুরুতর আহত ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর প্রায় দেড় ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।