ময়মনসিংহে দুই ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, ঈদ যাত্রায় ভোগান্তীতে যাত্রীরা
ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে দুই ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি ট্রেনের ইঞ্জিন বিকলের ঘটনা ঘটেছে। এতে রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এর আগের দিনও একই রুটে একটি ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘জামালপুর কমিউটার’ ট্রেনটি গফরগাঁও উপজেলার হাতীখলা এলাকায় পৌঁছালে ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এতে ট্রেনটি মাঝপথে আটকে যায়। পরে চালক ও রেলওয়ের কর্মীরা চেষ্টা চালিয়ে ইঞ্জিনটি সচল করেন।
সকাল সোয়া ১০টার দিকে জামালপুর কমিউটার ট্রেনটি মশাখালী রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এ সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
এর প্রায় এক ঘণ্টা পর বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়। ত্রিশালের ফাতেমানগর স্টেশন এলাকায় ট্রেনটি আটকে গেলে আবারও রেলপথটিতে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে গতকাল রোববার বেলা পৌনে তিনটার দিকে ঢাকা থেকে জামালপুরগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন এলাকায় আগুন লাগে। পরে মেরামতের পর প্রায় এক ঘণ্টা পর ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকতার হোসেন বলেন, সকাল থেকে ঢাকা ও জামালপুরগামী দুটি ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। গতকালও একটি ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
এই রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর বেশির ভাগ ইঞ্জিন পুরোনো জানিয়ে আকতার হোসেন বলেন, অতিরিক্ত চলাচলের কারণে ইঞ্জিন গরম হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নতুন ইঞ্জিন ছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশনের স্টেশন সুপার আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, ফাতেমানগর স্টেশনে আটকে পড়া ট্রেনটি উদ্ধারে রিলিফ ইঞ্জিন পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহ জংশন ও আউলিয়ানগর স্টেশনে দুটি ট্রেন আটকা পড়ে আছে।