টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁয়
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নাম পরিচয় পাওয়া যায় ১০ জনের বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ১ জনের। এ ছাড়া এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
নওগাঁর ১৩ জন নিহতদের মধ্যে মান্দা উপজেলার ১০ জন। তারা হলেন রাজেন্দ্র বাটি গ্রামের সুলতানের ছেলে তারেক আলী, আব্দুর রহিমের ছেলে বাদশা (৩০), রশিদুল ইসলামের ছেলে আব্দুল বারিক (২০), আকবর আলীর ছেলে সোহাগ আলী (৩৩), শহিদুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৮), হজরতের ছেলে মাইনুর রহমান (৩২), সাকিমুদ্দিনের ছেলে সাগর আলী (২০), পাকুড়িয়া নিচ পাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মায়নুল ইসলাম (২৫) ও গিয়াস উদ্দিন (২২), মুর্শিদপুর গ্রামের সুজন আলী (৩৫)। জেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলা নিয়ামতপুরের মালঞ্চি গ্রামের সাইদুলের ছেলে সারিকুল (২৫)। এ ছাড়া দুজনের নাম-পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ৮ জন আহত হয়েছে তাদের মধ্যে ৬ জনই হলেন মান্দা উপজেলার। তারা হলেন ডেমরা গ্রামের মজিবরের ছেলে বাবু (৩৫) একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে সমেজ, পাকুরিয়া গ্রামের সফেদ আলীর ছেলে আলমগীর (৪০), একই গ্রামের ছোরহাব আলীর ছেলে সিদ্দিক আলী (৪০), রাজেন্দ্র বাড়ি গ্রামের মৃত সাহেব আলীর ছেলে খোরশেদ (২৬) ও হোসেনপুর গ্রামের আব্দুল রহিমের ছেলে আব্দুল রহমান।
জানা যায়, সোমবার (২৫ মে) রড বোঝায় একটি ট্রাকে করে বাড়ি আসছিল। ভোর সোয়া ৪টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় এলে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায়। এতে ট্রাকের উপর থাকা যাত্রীরা ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে। সেখানেই ১৫ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁ জেলার এবং আহত ৮ জনের মধ্যে ৬ জনই মান্দা উপজেলার বাসিন্দা। মহাসড়কে নিয়োজিত পুলিশ এবং এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও বিবিএ সহায়তায় মৃত দেহগুলো উদ্ধার পূর্বক প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট অন্তে ময়নাতদন্তসহ অন্যান্য আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন এবং মৃতদেহগুলো টাঙ্গাইল হাসপাতাল মর্গে আছে।
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ খোরশেদ আলম বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি নিহতদের বাড়ি মান্দা থানার বিভিন্ন গ্রামে। আমাদের কাছে তথ্যগুলো আসছে আমরা তা সংগ্রহ করছি।’