একটা চিৎকার শুনেছিলাম, কিন্তু বুঝতে পারিনি সেটা ছিল আমার মেয়ের: রামিসার মা
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তার মা পারভীন আক্তার বলেন, আমি একটা চিৎকার শুনেছিলাম, সেটা যে ওর (রামিসা) ছিল তা বুঝতে পারিনি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রামিসার মা এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আমি রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ওকে বলছিলাম, দাঁত ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে স্কুল ড্রেস পরতে। এরপর ও পাশের রুমে যায় দাঁত ব্রাশ করতে। রামিসার বড় বোন তখন চাচার বাসায় যাচ্ছিল। রামিসাও তার পেছনে যেতে চাইলে বড় বোন তাকে বাসায় থাকতে বলে। তখন রামিসা দরজার ভেতরেই ছিল। একটু পর রামিসা বোনের সাথে যাওয়ার জন্য বের হলে ওকে টান দিয়ে নিয়ে যায়।
পারভীন আক্তার বলেন, হঠাৎ দেখি রামিসা ঘরে নেই। খোঁজাখুঁজির সময় ওই ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রামিসার একটি জুতা পড়ে ছিল। এরপর দেখি ওর বড় বোন চাচার বাসা থেকে একাই আসছে। তখন আমার সন্দেহ হলো। আমি ওই দরজায় নক করার সময় একটা চিৎকারও শুনেছি। কিন্তু বুঝতে পারি নাই, ওই চিৎকার রামিসার ছিল। ভাবছিলাম পাশের ফ্ল্যাটের অন্য কোনো বাচ্চার চিৎকার।
সন্দেহ হওয়ার পরই দরজায় বারবার ধাক্কা দিলেও কেউ খোলেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই পুরুষের সঙ্গে আমাদের তেমন পরিচয় কিংবা কথা হয়নি।’
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তার মা পারভীন আক্তার বলেন, আমি একটা চিৎকার শুনেছিলাম, সেটা যে ওর (রামিসা) ছিল তা বুঝতে পারিনি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রামিসার মা এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ওকে বলছিলাম, দাঁত ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে স্কুল ড্রেস পরতে। এরপর ও পাশের রুমে যায় দাঁত ব্রাশ করতে। রামিসার বড় বোন তখন চাচার বাসায় যাচ্ছিল। রামিসাও তার পেছনে যেতে চাইলে বড় বোন তাকে বাসায় থাকতে বলে। তখন রামিসা দরজার ভেতরেই ছিল। একটু পর রামিসা বোনের সাথে যাওয়ার জন্য বের হলে ওকে টান দিয়ে নিয়ে যায়।
পারভীন আক্তার বলেন, হঠাত দেখি রামিসা ঘরে নেই। খোঁজাখুঁজির সময় ওই ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রামিসার একটি জুতা পড়ে ছিল। এরপর দেখি ওর বড় বোন চাচার বাসা থেকে একাই আসছে। তখন আমার সন্দেহ হলো। আমি ওই দরজায় নক করার সময় একটা চিৎকারও শুনেছি। কিন্তু বুঝতে পারি নাই, ওই চিৎকার রামিসার ছিল। ভাবছিলাম পাশের ফ্ল্যাটের অন্য কোনো বাচ্চার চিৎকার।
সন্দেহ হওয়ার পরই দরজায় বারবার ধাক্কা দিলেও কেউ খোলেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই পুরুষের সঙ্গে আমাদের তেমন পরিচয় কিংবা কথা হয়নি।’
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার (৭) মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা। রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে সারা দেশ।