০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫৫

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা কমলেও গরমের তীব্রতা রয়েই গেছে

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার  © সংগৃহীত

কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা বাড়ার পর চুয়াডাঙ্গায় শনিবার (৪ এপ্রিল) তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। তবে তাপমাত্রা কমলেও গরমের তীব্রতা তেমন একটা কমেনি।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, শনিবার দুপুর ১২টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ। একই দিন বেলা ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

এর আগে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা ছিল সেদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। একই দিন সন্ধ্যা ছয়টাতেও তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬ শতাংশে। দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সেই হিসাবে আজকের তাপমাত্রা গতকালের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। যদিও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ প্রায় অপরিবর্তিত (৩১ শতাংশ) থাকায় গরম পুরোপুরি কমেনি, তবে তাপমাত্রা কিছুটা কমায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সেদিনও দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। একই দিন সন্ধ্যা ছয়টায় তাপমাত্রা একই থাকলেও আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৩ শতাংশে। আর বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ছয়টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ছিল ৩৮ শতাংশ।

এদিকে তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুর, ভ্যানচালক ও কৃষিশ্রমিকরা। দুপুরের পর রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে, প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই বাইরে বের হচ্ছেন না।

চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতা এড়াতে প্রয়োজন ছাড়া দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রচুর পানি, শরবত ও স্যালাইন পান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্র জানিয়েছে, তাপমাত্রা সামান্য কমলেও গরমের তীব্রতা এখনো রয়েছে। বৃষ্টি না হলে আগামী কয়েক দিন এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।