মেঘনায় স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজের দুদিন পর মিলল পুলিশ কনস্টেবলের লাশ
ভোলার লালমোহনে মৎস্য সংরক্ষণ অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজ হওয়া পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় মেঘনা নদীর তীরে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত ফখরুল ইসলাম লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম জানান, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মৎস্য বিভাগের তিন সদস্য, এক পুলিশ কর্মকর্তা ও তিন কনস্টেবল স্পিডবোটযোগে মেঘনা নদীতে অভিযানে যান। এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘কর্ণফুলী-১২’ এর সঙ্গে সংঘর্ষে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্পিডবোটে থাকা অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কনস্টেবল ফখরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। তাকে উদ্ধারে গত দুই দিন ধরে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তৎপরতা চালায়।
ওসি আরও জানান, শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান থানার মাধ্যমে খবর পাওয়া যায় মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত একটি মরদেহ পড়ে আছে। পরে সেটি উদ্ধার করে শনাক্ত করা হলে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি নিখোঁজ কনস্টেবল ফখরুল ইসলামের মরদেহ। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।