পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ২৪ হাজার লিটার তেলসহ পদ্মায় ডুবল লরি
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ফেরি থেকে নামার সময় ব্রেক ফেল করে ২৪ হাজার লিটার তেলবোঝাই একটি লরি পদ্মা নদীতে ডুবে গেছে। ঘটনার পর থেকে ১৪ ঘণ্টায় বেশি সময় পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি নিমজ্জিত তেলবোঝাই লরিটি।
বুধবার (১১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরি ঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে লরির চালক ও হেলপারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ে বাণিজ্য শাখার এজিএম মো. সালাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া লরিটি উদ্ধারে কাজ করছে। পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসও উদ্ধার কাজ করছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে লরিটি উদ্ধার হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝিনাইদহ-ঢ ৪১-০০৪২ নম্বরের ১০ চাকার লরিটি যশোর থেকে ২৪ হাজার লিটার বাম্প ওয়েল নিয়ে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ফেরিতে করে নদী পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে নামে। ফেরি থেকে পন্টুন হয়ে সড়কে ওঠার সময় ঢালু পথে লরিটির ব্রেক হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। এতে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছনের দিকে সরে গিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরির চালক শরীফ ও তার সহকারীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এদিকে ডুবে যাওয়া লরিটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। উদ্ধাকারী জাহাজ হমজা পদ্মায় নিমজ্জিত লরিটি উদ্ধারে কাজ করছে।
এ ঘটনার পরপরই খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী। ডুবে যাওয়া লড়ির চালক ও সহযোগীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং লরিটি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কাজ করছে বলে জানান।
বিআইডব্লিউটিএর আরিচা কার্য়লয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, যেখানে পদ্মায় লড়িটি নিমজ্জিত হয়েছে সেখানে পানির গভীরতা অনেক বেশি। এখন উদ্ধারকারী হামজার ক্রেনের সঙ্গে রেকার দিয়ে বাঁধার চেষ্টা করছে ডুবুরি। তারপর সিস্টেম অনুয়ায়ী টেনে তোলা হবে, এ জন্যই উদ্ধার করতে সময় লাগছে।