প্যারোলে মুক্তি পেলেও বাবার জানাজায় উপস্থিত হতে পারেননি যুবলীগ কর্মী
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জেলখান থেকে প্যারোলে মুক্তি পেলেও শেষবারের মতো বাবার জানাজায় অংশ নিতে পারেননি যুবলীগ কর্মী চঞ্চল মিয়া। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে দেরি হওয়ায় তিনি যখন এলাকায় পৌঁছান, তখন জানাজা শেষ হয়ে যায়। পরে পুলিশি পাহারায় হাতকড়া পড়া অবস্থায় বাবার লাশের খাটিয়া কাঁধে তুলে কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন তিনি।
জানা গেছে, চঞ্চল মিয়ার বাবা আব্দুল হক শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৯টার দিকে উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে মারা যান। আজ রবিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে চিত্রাপাড়া এম এম খান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
চঞ্চল মিয়ার স্ত্রী বিলকিস বেগম জানান, তার স্বামী নিরপরাধ এবং গত বছর অক্টোবর থেকে কারাগারে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ মাস ধরে জেলে থাকার কারণে আমাদের তিন কন্যা সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। স্বামীর মুক্তি চাই।’
এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার বলেন, ‘প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার পর বিকেল ৩টার দিকে চঞ্চল মিয়াকে জেলা কারাগার থেকে কোটালীপাড়ায় আনা হয়। তিনি হাতকড়া পড়া অবস্থায় বাবার দাফনে অংশ নেন এবং দাফন শেষে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।’