আনোয়ারায় সড়কে যত্রতত্র অটোরিকশা পার্কিং, যানজটে দুর্ভোগ
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা সদরের প্রধান সড়কে যত্রতত্র যানবাহন পার্কিং ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দীর্ঘ সারির কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে বিকেলের পর গাড়ির চাপ বেড়ে গেলে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। এতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন লক্ষাধিক পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে আনোয়ারা সদর থানার মোড় থেকে জয়কালী বাজার পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহন যত্রতত্র পার্কিং করে রাখা হয়েছে। এতে এমনিতেই সরু সড়কটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে থাকা নালার ওপরের অংশ পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্মিত হলেও সেখানে গাড়ি পার্কিং করে রাখা হচ্ছে। ফলে পথচারীদের অনেক সময় বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
দিনের বেলায় যানজট কিছুটা সহনীয় থাকলেও বিকেলের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আশপাশের গার্মেন্টস কারখানার ছুটির সময় কর্মীদের বহনকারী গাড়ির চাপ বাড়লে পুরো সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে চাওয়া যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।
জয়কালী বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘রাস্তা এমনিতেই সরু। তার ওপর দুই পাশে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দাঁড়িয়ে থাকায় বিকেলের দিকে যানজট ভয়াবহ আকার নেয়। কয়েক মিনিটের রাস্তা পার হতে অনেক সময় লেগে যায়।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘নালার ওপর দিয়ে হাঁটার কথা থাকলেও সেখানে গাড়ি পার্কিং করে রাখায় আমাদের রাস্তায় নেমে চলতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী সাঈদ মোহাম্মদ বলেন, ‘বিকেলের দিকে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে অফিস শেষে বা বাজারের সময় যানজট বেশি থাকে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জয়কালী বাজারের এক মিষ্টি দোকানদার বলেন, ‘প্রতিদিন বিকেলের পর থেকে এই সড়কে যানজট লেগেই থাকে। এতে ক্রেতাদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক সময় যানজটের কারণে মানুষ বাজারে আসতে চায় না।’
অটোরিকশা চালক মো. আসিফ বলেন, ‘আমাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্ট্যান্ড নেই। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। প্রশাসন যদি নির্দিষ্ট জায়গা করে দেয়, তাহলে আমরা সেখানে গাড়ি রাখব।’
জয়কালী বাজারের ইজারাদার মো. জাহেদ বলেন, ‘টানা তিন মেয়াদে বাজার ইজারাদারের দায়িত্ব পেয়েছি। প্রতিবারই জনদুর্ভোগ কমাতে অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি। কিন্তু স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হয়নি। যদিও বিষয়টি আমার দায়িত্বের আওতায় পড়ে না।’
এ বিষয়ে আনোয়ারা ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ (টিআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। জনদুর্ভোগ কমাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অবৈধভাবে সড়কে গাড়ি পার্কিংকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা সদরের প্রধান সড়কে যত্রতত্র যানবাহন পার্কিং ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দীর্ঘ সারির কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে বিকেলের পর গাড়ির চাপ বেড়ে গেলে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। এতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন লক্ষাধিক পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে আনোয়ারা সদর থানার মোড় থেকে জয়কালী বাজার পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহন যত্রতত্র পার্কিং করে রাখা হয়েছে। এতে এমনিতেই সরু সড়কটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে থাকা নালার ওপরের অংশ পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্মিত হলেও সেখানে গাড়ি পার্কিং করে রাখা হচ্ছে। ফলে পথচারীদের অনেক সময় বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
দিনের বেলায় যানজট কিছুটা সহনীয় থাকলেও বিকেলের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আশপাশের গার্মেন্টস কারখানার ছুটির সময় কর্মীদের বহনকারী গাড়ির চাপ বাড়লে পুরো সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে চাওয়া যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।
জয়কালী বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘রাস্তা এমনিতেই সরু। তার ওপর দুই পাশে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দাঁড়িয়ে থাকায় বিকেলের দিকে যানজট ভয়াবহ আকার নেয়। কয়েক মিনিটের রাস্তা পার হতে অনেক সময় লেগে যায়।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘নালার ওপর দিয়ে হাঁটার কথা থাকলেও সেখানে গাড়ি পার্কিং করে রাখায় আমাদের রাস্তায় নেমে চলতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী সাঈদ মোহাম্মদ বলেন, ‘বিকেলের দিকে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে অফিস শেষে বা বাজারের সময় যানজট বেশি থাকে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জয়কালী বাজারের এক মিষ্টি দোকানদার বলেন, ‘প্রতিদিন বিকেলের পর থেকে এই সড়কে যানজট লেগেই থাকে। এতে ক্রেতাদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক সময় যানজটের কারণে মানুষ বাজারে আসতে চায় না।’
অটোরিকশা চালক মো. আসিফ বলেন, ‘আমাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্ট্যান্ড নেই। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। প্রশাসন যদি নির্দিষ্ট জায়গা করে দেয়, তাহলে আমরা সেখানে গাড়ি রাখব।’
জয়কালী বাজারের ইজারাদার মো. জাহেদ বলেন, ‘টানা তিন মেয়াদে বাজার ইজারাদারের দায়িত্ব পেয়েছি। প্রতিবারই জনদুর্ভোগ কমাতে অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি। কিন্তু স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হয়নি। যদিও বিষয়টি আমার দায়িত্বের আওতায় পড়ে না।’
এ বিষয়ে আনোয়ারা ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ (টিআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। জনদুর্ভোগ কমাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অবৈধভাবে সড়কে গাড়ি পার্কিংকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।