০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩৫

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দিনে ১,৩৫০ মেট্রিক টন চাল আমদানি

চালভর্তি ভারতীয় ট্রাক  © সংগৃহীত

দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুই দিনে ৯টি চালানে মোট ৩৭টি ট্রাকে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন (নন-বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের দুটি চালানে ১৫টি ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি আরও ৭৭০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়। সব মিলিয়ে দুই দিনের ব্যবধানে বন্দরে এসেছে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন চাল।

আমদানিকৃত এই চালের চালান এনেছে মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। বাজারে চালের মূল্য সহনীয় রাখতে সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে দ্রুত ছাড়ের ব্যবস্থা রেখেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ টাকা।

বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর—এই তিন মাসে বন্দর দিয়ে মোট ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়, যার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই আমদানিকৃত চাল দেশের বাজারে সরবরাহ করতে হবে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ভারত থেকে দুই দিনে ৩৭টি ট্রাকে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। এসব চাল দ্রুত খালাস করে বাজারে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মৌসুমে যশোর জেলায় মোট ৪৪টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাত্র একজন আমদানিকারক চাল আমদানি কার্যক্রম শুরু করেছেন। 

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অনুমোদিত অন্যান্য আমদানিকারকরাও দ্রুত আমদানি শুরু করলে বাজারে চালের সরবরাহ আরও বাড়বে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।