জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে: বাকৃবি উপাচার্য
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান মুক্তিকামী জনগণের আত্মত্যাগ, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে সবাইকে উন্নত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে একযোগে কাজ করতে হবে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ে ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ‘আমি শুধু স্মরণ করতে চাই ৫২, ৬৯, ৭১, ৯০ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের সব রাজনৈতিক বাঁকগুলোতে এ দেশের যেসব মুক্তিকামী মানুষ জীবন দিয়েছেন, আত্মাহুতি দিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদের সবার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানাই। সংশ্লিষ্ট পরিবারের প্রতিও আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’
জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বিজয় র্যালি বের করা হয়।
পরে ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সব ন্যায্য গণআন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।