১৯ জুন ২০২৬, ১৫:১৯

বাকৃবিতে ব্যতিক্রমী হল ফিস্টের আয়োজন, শোভাযাত্রায় হাতির অংশগ্রহণ

বাকৃবিতে ব্যতিক্রমী হল ফিস্টের আয়োজন  © টিডিসি ফটো

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আশরাফুল হক হলে শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী ফিস্ট ‘টেল অব রিডাম্পশন’। প্রথমবারের মতো হাতি নিয়ে ফিস্ট উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যা ক্যাম্পাসে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তিন দিনব্যাপী এই হল ফিস্ট চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোকসজ্জা, আতশবাজি ও গ্র্যান্ড ডিনারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। হলের ৬৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ ফিস্ট উপলক্ষে বিকেলে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আশরাফুল হক হলে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় হাতির উপস্থিতি শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হলের হাউস টিউটর জিকেস বর্মন, ইফতেখার জাহান ভুঁইয়া ও ড. মো. শাহিনুর আলম। তাঁদের উপস্থিতিতে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিস্টের উদ্বোধন করা হয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হলের শিক্ষার্থীরা।

ফিস্টের আয়োজক কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী রাফিউল হক বলেন, ‘আশরাফুল হক হলের শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করা এবং সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তাছাড়া শোভাযাত্রায় হাতির অন্তর্ভুক্তি ছিল আয়োজনের একটি আকর্ষণীয় দিক। আমরা চেয়েছি প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করবে এবং দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন : গোবিপ্রবিতে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী শামীম রেজা বলেন, 'টেল অব রিডাম্পশন’ শুধু একটি ফিস্ট নয়, এটি সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের প্রতিফলন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ব্যতিক্রমী শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা ও উৎসাহকে নতুন মাত্রা দেওয়া হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন নিয়মিত পড়াশোনার একঘেয়েমি ও ক্লান্তি কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।’

হলের হাউস টিউটর ড. মো. শাহিনুর আলম বলেন, ‘আজকের এই ফিস্ট দেখে আমার ১০-১১ বছর আগের স্মৃতির কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। ফিস্ট শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করে। আয়োজনটি সফলভাবে সমাপ্ত হোক এই কামনাই করি।’