০৯ জুন ২০২৬, ১৭:১৭

রিসার্চ ডট কম র‍্যাংকিংয়ে বুয়েটকে পেছনে ফেলে শীর্ষে শেকৃবি

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়  © সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক একাডেমিক প্ল্যাটফর্ম ‘রিসার্চ ডট কম’-এ প্রকাশিত ২০২৫-২৬ সেশনের বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিংয়ে বুয়েটকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)। শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটটি এবার তৃতীয়বারের মতো তাদের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক র‍্যাংকিং প্রকাশ করেছে।

রিসার্চ ডট কমের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে শেকৃবি। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)। শুধুমাত্র এইচ-ইনডেক্স (H-index) ভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে এ র‍্যাংকিং প্রকাশ করা হয়েছে।

শেকৃবির এ সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রম। 

প্রকাশিত সূচক অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শীর্ষস্থানীয় গবেষকের নেতৃত্বে মোট ৬৬০টি উচ্চমানসম্পন্ন গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এসব গবেষণার সম্মিলিত এইচ-ইনডেক্স স্কোর দাঁড়িয়েছে ১৬৫।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. বেলাল হোসেন বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার যুগে আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে স্থান পাওয়া যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বড় অর্জন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠিত হয় যখন সেটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের র‍্যাংকিংয়ে স্থান করে নেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে বিভিন্ন র‍্যাংকিং সংস্থার ডাটাবেজে আমাদের তথ্য যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটগুলোতে আমাদের গবেষণা ও একাডেমিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে আরও ভালো অবস্থান অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষকদের উৎসাহিত করার কাজও অব্যাহত রয়েছে।’

এ অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, ‘যেসব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা এই সাফল্য অর্জন করেছি, তাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করবে বলে আমি আশাবাদী।’

তবে গবেষণা অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের গবেষণার জন্য জায়গা অনেক কম। গবেষণার পরিসর আরও বাড়ানো গেলে আমরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারতাম। এ বিষয়ে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’