বাকৃবিতে আন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্টেডিয়ামে এ উদ্বোধনীর আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগ।
অনুষ্ঠানে ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে ও ক্রীড়া ও প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আসাদুল হক সজলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোখলেছুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপাচার্য জাতীয় পতাকা ও বেলুন উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর প্রথম দিনে দৌড় (১০০, ২০০, ৪০০, ৮০০, ১৫০০ মিটার), চাকতি নিক্ষেপ, ট্রিপল জাম্প, হাই জাম্প, রিলে দৌড় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দিনের (৯ এপ্রিল) আয়োজনে শিক্ষার্থীদের দৌড় ( ১০০,৮০০,৩০০০ মিটার) বর্শা নিক্ষেপ, গোলক নিক্ষেপ, লং জাম্প, যেমন খুশি তেমন সাজো এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাদের ১০০ মিটার স্পিন্ট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে প্রতিযোগিতা শেষে আগামীকাল বিকেল ৪টায় প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টার পর আজকে আমরা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনে সফল হয়েছি। শিক্ষার্থীদের ধৈর্য্য সহকারে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে নিজস্ব হল এবং নিজের জন্য সফলতা অর্জনের আহ্বান করছি।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, খেলাধুলা এমন একটি বিনোদন যেটা শরীরকে সুস্থ রাখে, মনকে ভালো রাখে এবং লেখাপড়ায় গতিশীলতা আনে। এসব প্রতিযোগিতার সার্টিফিকেট, পুরস্কার, অংশগ্রহণের রেকর্ড দেশে ও বিদেশে পাঠবহির্ভূত কার্যক্রম হিসেবে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতার মনোভাব নিয়ে অংশগ্রহণ করাতেই খেলাধুলার অর্ধেক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়ে যায়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার থেকে অংশগ্রণ করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মেয়ে এবং ছেলে শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি প্রতিযোগিতা রাখা উচিত। যেটা তাদের বুদ্ধিমত্তা ও সক্ষমতার পরিচয় দিবে। এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্তঃহল ও আন্তর্জাতিক যেকোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে বাকৃবি প্রশাসনের সম্পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে।