‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে মেধার সঙ্গে যোগ্যতা দেখা হতো কে কোন পন্থী’
বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে সময় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে মেধার সঙ্গে যোগ্যতা দেখা হতো কে কোন পন্থী। এমনটাই জানিয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, সেসময় ছাত্রদলের দ্বায়িত্বে থাকা আমার এক ছাত্রী ফার্স্ট ক্লাস ফাস্ট হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায়নি।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেকৃবি বৃহত্তর রংপুর ছাত্রকল্যাণ সমিতি কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আজ সোমবার (২ মার্চ) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ। এতে সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম।
অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে প্রথমে মেধা দেখা হয়, এরপর দেখা হয় কে কোন পন্থী। আমার এক পরিচিত ছাত্রী ছিল সে সময় ছাত্রদলের দ্বায়িত্বে ছিল। তার রেজাল্ট ভালো হওয়া সত্ত্বেও শুধু সুপারিশের অভাবে তাকে চাকরি দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সে এখন ব্যাংকে চাকরি করে। ফ্যাসিস্ট আমলে আমার আরেক ছাত্রী ফার্স্টক্লাস ফাস্ট হওয়া সত্ত্বেও শুধু সুপারিশ না আনতে পারায় তাকে চাকরি দেওয়া হয়নি।
‘‘আমি মন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ করবো, এখন সময় এসেছে আমাদের উত্তর জনপদের ছাত্রছাত্রীদের জন্য কোনো বিষয়ে সুপারিশের দরকার হলে আপনি আন্তরিকতার সাথে বিষয়টি দেখবেন।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, আমাদের রংপুর জনপদের মানুষ অত্যন্ত মেধাবী কিন্তু যোগাযোগ ও হীনমন্যতার কারণে এই অঞ্চলের মানুষ তাদের যোগ্য স্থানে যেতে পারেনি। অথচ স্বাধীনতার উষালগ্নে ৩রা মার্চ রংপুরের মানুষ প্রথম ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করেছিল বাশের লাঠি দিয়ে। আমাদের এই উত্তর অঞ্চল এতদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। আমি এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।