০৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪০

যে কৌশলে ভর্তি পরীক্ষায় চতুর্থ হয়েছেন হাফসা

মোসা. হাফসা  © টিডিসি সম্পাদিত

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা এখন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ২০২৬-২৭ সেশনের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ডিসেম্বর থেকে। ভর্তি পরীক্ষায় নিজের সাফল্য, প্রস্তুতি এবং ভর্তিচ্ছুদের জন্য পরামর্শ নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের মুখোমুখি হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোসা. হাফসা। তিনি ২০২৫-২৬ সেশনের চবির কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের (বি ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় ৪র্থ স্থান অধিকার করেছিলেন।

ভর্তি পরীক্ষায় নিজের সাফল্য, প্রস্তুতি ও নতুন ভর্তিচ্ছুদের জন্য কিছু টিপস নিয়ে তিনি মুখোমুখি হয়েছেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের। তার কথাগুলো শুনেছেন— চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আল নাঈম।

আপনার সাফল্যের খবর পাওয়ার মুহূর্তটি কেমন ছিল? প্রথম কাকে জানিয়েছিলেন?
আমি যখন জানতে পারলাম যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আমি ৪র্থ হয়েছি, তখন প্রথমে নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না যে আমি সত্যিই ৪র্থ হয়েছি। চবির ভর্তি পরীক্ষা যেহেতু ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম—এই তিনটি বোর্ডে অনুষ্ঠিত হয়, আমি রাজশাহী বোর্ডে পরীক্ষা দিয়ে সেখানে প্রথম হয়েছিলাম। ফলাফল দেখার পর প্রথমে আম্মুকে জানাই, এরপর বাবাকে জানাই। তখন মনে হচ্ছিল, অবশেষে আমার এতদিনের কষ্ট আর পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি আপনি কতদিন আগে থেকে শুরু করেছিলেন এবং কীভাবে পরিকল্পনা করেছিলেন?
আমি যেহেতু সেকেন্ড টাইমার ছিলাম, তাই প্রস্তুতির জন্য মোটামুটি ছয় থেকে সাত মাস সময় পেয়েছিলাম। এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে শুরু থেকেই একটা পরিকল্পনা করে এগিয়েছিলাম। প্রথমবারের অভিজ্ঞতা থেকে কোন জায়গাগুলোতে আমার ঘাটতি ছিল, সেগুলো চিহ্নিত করে সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়ার চেষ্টা করেছি।

প্রতিদিন গড়ে কত ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন? আপনার পড়ার রুটিনটা কেমন ছিল?
আমি আসলে কত ঘণ্টা পড়ব, সেটা নির্দিষ্ট করে চিন্তা করতাম না। আমার কাছে ছিল, দিনের পড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পড়ব। সাধারণত প্রতিদিন ১৪–১৫ ঘণ্টার মতো পড়াশোনা হতো। কোনো কোনো দিন এরচেয়েও বেশি হতো, সর্বোচ্চ প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়েছি।

আমার বিকেলে প্রাইভেট পড়া থাকত। প্রাইভেট থেকে এসে সন্ধ্যার দিকে আবার পড়তে বসতাম। সন্ধ্যা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত পড়তাম। এরপর রাতে খাবার খেয়ে আবার পড়তে বসতাম এবং প্রায় ৩টা পর্যন্ত পড়াশোনা করতাম।

এরপর তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তাম। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার পর আবার কিছুক্ষণ পড়তাম। এরপর ফজরের নামাজ পড়ে যখন দেখতাম ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে, তখন প্রায় ৬টা–৭টার দিকে চা নিয়ে ছাদে চলে যেতাম। সঙ্গে বাংলার মেমোরাইজিংয়ের পড়াগুলোও নিয়ে যেতাম। যেমন—সমার্থক শব্দ, বিভিন্ন শব্দের অর্থ—এ ধরনের যেসব বিষয় মুখস্থ করতে হতো, সেগুলো আমি সকালে ছাদে গিয়ে পড়তাম।

ছাদে পড়া শেষ করে নিচে এসে একটু খাওয়া-দাওয়া করতাম। এরপর বিকেলে প্রাইভেটে কী পড়ব, সেগুলো আবার আগে থেকে দেখে নিতাম। পাশাপাশি নিজের এক্সট্রা পড়াও করতাম। প্রায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত পড়াশোনা করে গোসল করতাম। এরপর নামাজ পড়ে খাওয়া-দাওয়া করে একটু রেস্ট নিতাম। তারপর আবার বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যেতাম।

এভাবেই মূলত আমার রুটিনটা চলত। আর প্রতিদিন আগের দিনের পড়াগুলোও রিভিশন দেওয়ার চেষ্টা করতাম। কারণ রিভিশন না দিলে আগের পড়া ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কোনো কোনো টপিক অনেকবার রিভিশন দিয়েছি। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রতিদিন নিয়মিত পড়া এবং কনসিস্টেন্সি মেইনটেইন করা।

আপনার প্রস্তুতিতে কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কাজে দিয়েছে?
আমি প্রথমবার কোচিংয়ে পড়াশোনা করেছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয়বার আমার মনে হয়েছিল, শুধু কোচিং করলেই হবে না, কোচিংয়ের ওপর ডিপেন্ড করলে হবে না—নিজেরও পড়াশোনা করতে হবে। তাই দ্বিতীয়বার আমি বাংলা, ইংরেজি ও জিকে—এই তিনটা বিষয়ে প্রাইভেটে পড়েছিলাম। তবে প্রাইভেটের ওপরও আমি খুব বেশি ডিপেন্ড করিনি। প্রাইভেট থেকে যে পড়াটা দেওয়া হতো, সেটা করতাম, কিন্তু পাশাপাশি নিজের পড়াটাও নিজে করতাম। আমার মূল প্রস্তুতিটা ছিল নিজের পড়াশোনা।

ভর্তি প্রস্তুতিতে কোন অংশে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?
আমি আসলে ইংরেজিকে একটু বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলাম। যেহেতু আমি মফস্বল শহর থেকে এসেছি, তাই ইংরেজিতে আমার একটু দুর্বলতা ছিল। এজন্য ইংরেজির প্রস্তুতিটা আমি একদম বেসিক থেকে শুরু করেছিলাম। ইংরেজির MCQ-গুলোও শুরু থেকে পড়েছি এবং বারবার রিভিশন দিয়েছি।

বাংলা আর জিকে-তে আমি আগে থেকেই ভালো ছিলাম, যেহেতু আমি মানবিক বিভাগের স্টুডেন্ট ছিলাম। তাই ইংরেজির পেছনে তুলনামূলকভাবে একটু বেশি সময় দিয়েছি। অনেক বেশি MCQ পড়েছি, বারবার রিভিশন দিয়েছি এবং প্রচুর পরীক্ষা দিয়েছি।

শেষ পর্যন্ত আল্লাহর রহমতে জিকেতে ২০-এর মধ্যে ২০ পেয়েছিলাম, বাংলাতে ২৬ পেয়েছিলাম, ইংরেজিতে ২৮.৭৫ পেয়েছিলাম আর আইকিউতে ১৬.২৫ পেয়েছিলাম।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় কোন বিষয়টি আপনার কাছে সবচেয়ে কঠিন মনে হয়েছে? সেটি কীভাবে মোকাবিলা করেছেন?
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন মনে হয়েছে নিজেকে কন্ট্রোল করা এবং চারপাশের বিভিন্ন বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রেখে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা। আমি যেহেতু দ্বিতীয়বারের মতো প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তাই মানুষের অনেক কথাও শুনতে হয়েছে। তবে আমার পরিবার আমাকে সবসময় অনেক সাপোর্ট করেছে। প্রথমবার তারা আমাকে ঢাকায় কোচিং করতে পাঠিয়েছিল। আর দ্বিতীয়বার আমি একজন সিনিয়র আপুর পরামর্শে রাজশাহীতে কোচিং করতে যাই, কারণ তিনি বলেছিলেন সেখানে পড়াশোনার ভালো সুযোগ-সুবিধা আছে।

রাজশাহীতে আমার কোনো আত্মীয়স্বজন ছিল না, তাই পুরো প্রস্তুতির সময়টা অনেকটা একাই থাকতে হয়েছে। এই সময় নিজের পড়াশোনার প্রতি ফোকাস রাখাটাই আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে ফোন থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছি। পড়ার সময় স্মার্টফোনটা ড্রয়ারে রেখে তালা দিয়ে রাখতাম এবং সময় দেখার জন্য ঘড়ি ব্যবহার করতাম। বাবা-মায়ের সঙ্গেও দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে কথা বলতাম।

আমি জানতাম, পড়াশোনার সময় ফোনে থাকলে খুব সহজেই ডিস্ট্রাক্টেড হয়ে যেতে পারি। তাই নিজের জন্য কিছু নিয়ম তৈরি করে সেগুলো মেনে চলেছি। পাশাপাশি আশেপাশের মানুষের কথাগুলোও খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে নিজের লক্ষ্যের দিকে মনোযোগ রেখেছি। আমার পরিবার আমার জন্য এত কিছু করছে—এই বিষয়টাও আমাকে অনেক সময় নিজেকে সামলে আবার পড়তে বসতে সাহায্য করেছে।

পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনা ও প্রশ্ন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনার কৌশল কী ছিল?
পরীক্ষার হলে আমি যেগুলো একদম সহজে পারছিলাম, সেগুলো আগে করে দিয়েছি। আর যেগুলোতে একটু কনফিউশন ছিল বা কয়েকটা প্রশ্ন বাকি ছিল, সেগুলো পরবর্তীতে করার জন্য রেখে দিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত দুইটা প্রশ্নে আমি উত্তর দিইনি, কারণ ওই দুটো নিয়ে আমি কনফিউজড ছিলাম। তবে পুরো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি আমার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া শেষ করতে পেরেছিলাম।

পরীক্ষার হলে কোন কৌশল অবলম্বন করে পরীক্ষা দিয়েছেন?
আমি পরীক্ষার হলে নিজের এক্সাইটমেন্টটা একটু কন্ট্রোলে রাখার চেষ্টা করেছি। আমার একটা বড় দোষ হলো, আমি বেশি এক্সাইটেড হয়ে গেলে প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ভুল করে ফেলি। যেহেতু প্রিভিয়াস পরীক্ষায় আমি এই ভুলটা করেছিলাম, তাই এবার চেষ্টা করেছি যেন একই ভুলটা আবার না হয়। এবার প্রশ্ন পাওয়ার পর যখন দেখলাম অনেক কিছুই কমন আসছে, তখনও এক্সাইটেড না হয়ে শান্তভাবে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

আর কোনো প্রশ্ন নিয়ে কনফিউশন থাকলে সেখানে বেশি সময় নষ্ট করিনি। সেগুলো পরবর্তীতে দেওয়ার জন্য রেখে দিয়েছি এবং আগে যেগুলো নিশ্চিতভাবে পারছিলাম, সেগুলো করে এগিয়ে গেছি।

প্রস্তুতির সময় কখনো হতাশা বা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল? হলে কীভাবে নিজেকে সামলে নিয়েছেন?
হ্যাঁ, অনেকবারই এমন হয়েছে। এমনও হয়েছে যে, পড়ার টেবিলে বসে কান্না করে বইয়ের পাতা ভিজিয়েছি। ভাবতাম, আমি কি আবার পারব? যেহেতু আমি সেকেন্ড টাইমার ছিলাম এবং প্রথমবার পারিনি, তাই মাঝে মাঝে মনে হতো, আমি কি দ্বিতীয়বারও পারব? মা-বাবার সম্মান রাখতে পারব? এসব ভেবে অনেকবার কান্না করেছি। কান্না করতে করতে পড়েছি।

আমার অ্যাডমিশনের প্রস্তুতির সময় আমার দাদু মারা যান। তখন আমি রাজশাহীতে ছিলাম। রাজশাহী থেকে বরগুনা যেতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। আমি ব্যাগও গুছিয়েছিলাম বাসায় যাওয়ার জন্য। কিন্তু তখন আমার অ্যাডমিশন পরীক্ষা খুব কাছে চলে এসেছিল, তাই শেষ পর্যন্ত যেতে পারিনি। আমার পরিবারের সবাই যেতে পেরেছিল, শুধু আমি যেতে পারিনি। এটা আমার অ্যাডমিশন জীবনের সবচেয়ে কষ্টের বিষয়গুলোর একটি ছিল।

আমি জানতাম, আমার খুব খারাপ লাগছে। তবুও নিজেকে স্থির করে ভেবেছিলাম, আমি দূর থেকেই দাদুর জন্য দোয়া করব এবং আমাকে আমার পড়াশোনাটা চালিয়ে যেতে হবে। ওই সময়ও আমার একটা পরীক্ষা ছিল, তাই অনেক কষ্ট হলেও নিজেকে সামলে আবার পড়তে বসেছিলাম।

অনেক রাত এমনও গেছে, মাঝরাতে পড়তে পড়তে কান্না করেছি আর ভেবেছি—আমি আবারও পারব কি না। তারপরও পড়াশোনা থামাইনি। শেষ পর্যন্ত আলহামদুলিল্লাহ, আমি সফল হয়েছি।

আপনার সাফল্যের পেছনে পরিবার, শিক্ষক বা বন্ধুদের ভূমিকা কতটা ছিল?
আসলে আমার সাফল্যের পেছনে পরিবারের ভূমিকাটা সবচেয়ে বেশি ছিল। কারণ তারা যদি আমাকে আবার সেকেন্ড টাইম দেওয়ার সুযোগ না দিত, তাহলে আমি কখনোই দিতে পারতাম না। তারা আমাকে সাপোর্ট করেছে বলেই আমি সেকেন্ড টাইম দিতে পেরেছি। আবার সেকেন্ড টাইম দেওয়ার জন্য তারা আমাকে সুদূর রাজশাহীতে পাঠিয়েছে। তাই আমার সাফল্যের পেছনে তাদের ভূমিকা অনেক বেশি।

এরপর শিক্ষকদের ভূমিকাও অনেক বেশি ছিল। আমার যারা প্রাইভেট টিউটর ছিলেন, তারা এক কথায় অসাধারণ মানুষ। তারা আমাকে একাডেমিকভাবে অনেক বেশি সাহায্য করেছেন এবং কখনোই বিরক্ত হননি। তাদের সহযোগিতা আমার প্রস্তুতিতে অনেক কাজে দিয়েছে।
আর বন্ধুদের ভূমিকাও ছিল। তারাও বিভিন্নভাবে আমাকে সাপোর্ট করেছে এবং প্রয়োজনের সময় পাশে ছিল।

এই বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভাগকে পছন্দ করার বিশেষ কারণ কী?
আমার পছন্দের তালিকায় মোট চারটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল, তার মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও ছিল। আর যেহেতু আইন নিয়ে পড়া আমার স্বপ্ন ছিল, তাই এখানে যখন আইন বিভাগে সুযোগ পেলাম, তখন স্বাভাবিকভাবেই আমার এখানে পড়ার আগ্রহটা আরও বেড়ে যায়।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেমন সুনাম আছে, তেমনি এখানকার আইন বিভাগেরও অনেক সুনাম আছে। সবকিছু মিলিয়ে আইন পড়ার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে।

যারা আগামী বছর ভর্তি পরীক্ষা দেবেন, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
যারা আগামী বছর ভর্তি পরীক্ষা দেবেন, তাদের জন্য আমার পরামর্শ হলো—কারও সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা চলবে না। নিজের তুলনা নিজের সাথেই করতে হবে। নিজের ল্যাকিংসগুলো কোথায় কোথায় আছে, নিজের দুর্বলতাগুলো কোথায় আছে—সেগুলো নিজেকেই বের করতে হবে।