২ ডিসেম্বরের এইচএসসি: সুখবর পেতে পারেন ২০২৫ সালে ফেল শিক্ষার্থীরাও
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সম্পূরক পরীক্ষা আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। তবে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার বোর্ড চেয়ারম্যানদের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় যারা ফেল করেছেন, আবার ২০২৬ সালের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেও কারণবশত পরীক্ষা দিতে পারেনি তাদের বিষয়ে অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টি উত্থাপিত হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সাথে আগামীকাল সভা করা হবে। সারাদেশে এমন বেশকিছু পরীক্ষার্থী রয়েছেন। যারা নানা কারণে পরীক্ষা দিতে পারেনি। তাই তাদের বিষয়ে বোর্ড সভায় আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
জানা গেছে, ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭জন শিক্ষার্থী।
২৫ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখ ৪০ হাজার ৩৫৮ জন। উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৪২৪ জন। অকৃতকার্য হন ৫ লাখ ১৩ হাজার ৯৩৪ জন। ফেলের হার ছিল ৪১.১৭ শতাংশ।
এদিকে চলতি বছরের ঘোষিত ফল অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।
এবার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। এক বিষয়ে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন ফেল করেছেন। ফেল করা ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে ফেল করেছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন। এর মধ্যে ইংরেজিতে ফেল করেছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন। অর্থাৎ এ দুটি বিষয়ই শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।