ফল সন্তোষজনক হয়নি, শিখনঘাটতি পূরণে শিক্ষক-অভিভাবকদের সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীদের শিখন-অর্জনের ঘাটতি চিহ্নিত করে তা পূরণে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের রেজাল্ট থেকে আমরা যেটা অর্জন করেছি, সেটা হচ্ছে এই ফলাফলে শিক্ষার্থীদের যে শেখার অর্জনের যে ঘাটতি ছিল, সেটা আমরা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং আগামী দিনে আমরা এই বিষয়গুলোকে অ্যাড্রেস করব।
তিনি বলেন, এটি একটি বাস্তব চিত্র যে ফলাফল আমাদের সন্তোষজনক হয়নি। এই সমস্যাগুলো কিভাবে আমরা উতরে উঠতে পারব, আমরা মন্ত্রণালয় থেকে, বোর্ড থেকে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব।
শিখন ঘাটতি পূরণে তিনি বলেন, এই ঘাটতি পূরণের জন্য আমি অভিভাবকদের এবং শিক্ষকদেরকে আহ্বান জানাবো, আগামী দিনে যেন আমাদের এই ধরনের দুর্বলতা এবং ঘাটতি না থাকে এবং রেজাল্ট যেন সুন্দর হয়। প্রথমত পাসেরর হার লাস্ট ইয়ার এসএসসিতে ৮২.৮৩, এবার আবারো ড্রপ করে এটা ৫২.১। এই যে ড্রপ করা, এটা কখনো এপ্রিশিয়েবল না। ঘাটতি আমাদের শিখন পদ্ধতিতে রয়েছে, অভিভাবকদের রয়েছে, পরিবেশ রয়েছে—সবকিছু মিলিয়ে যে ঘাটতি রয়েছে, সেটাকে আমাদেরকে নির্ধারণ করতে হবে এবং এটাকে আমাদের অ্যাড্রেস করতে হবে। এটি আমাদের দায়িত্ব এবং সেই ক্ষেত্রে আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
এইচএসসিতে পাস করাদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের সবাই ভর্তি হতে পারবেন। এবছর উচ্চশিক্ষায় মোট ১৩ লাখের বেশি আসন আছে।
এবছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে বড় ধস নেমেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে, যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।