১০ আগস্ট ২০২৬, ১৪:০২

মতিঝিল আইডিয়ালে পাসের হার ৯৮.২, জিপিএ-৫ পেল কতজন

এসএসসির ফল প্রকাশের পর উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা  © সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৯৮ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিষ্ঠানটিতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে প্রতিষ্ঠানটির এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদ।

আইডিয়াল স্কুল সূত্রে জানা গেছে, এ বছর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মোট ২ হাজার ৭৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ হাজার ৭৭৮ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ হাজার ৭২৩ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।

এ বছর প্রতিষ্ঠানটির এক হাজার ৪৯০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক হাজার ৫৪৯ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার ৫৯ জন কম শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

এ বছর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ছিল ২ হাজার ৫৪১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২৪১ জন।

ফলাফল প্রকাশের পর অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদ বলেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নিরলস কাজ করেছেন। পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের সার্বিক তদারকি ও সহযোগিতাও ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে আমরা ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবো।

গত বছরের ফল

গত বছর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ হাজার ৬৪০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক হাজার ৫৪৯ জন।

এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ২ হাজার ২৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক হাজার ৫০৯ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৫২ জনের মধ্যে ৪০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। গত বছর প্রতিষ্ঠানটির মোট জিপিএ-৫ পাওয়ার হার ছিল ৫৮ দশমিক ৬৭। অকৃতকার্য হয়েছিল ৫৪ জন শিক্ষার্থী।

এসএসসিতে এবার পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। দাখিলে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৭৬ জন।

এবার এসএসসিতে ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ছিল।